পুলিশ হেফাজতে প্রয়াত তৃণমূল কর্মী বিরজু কেওয়টের বাড়িতে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার সকাল ১০.৪৫ মিনিট নাগাদ কাঁচরাপাড়া প্রমোদনগরে বিরজু বাড়িতে আসেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাজ্যের শ্রম ও পরিবহন মন্ত্রী অর্জুন সিংসহ উত্তর চব্বিশ পরগনার একাধিক বিধায়ক। প্রয়াত তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন শুভেন্দু।
হালিশহরে বিরজু কেওটের মৃত্যুতে থানার আইসিকে ক্লোজ এবং ওসিকে সাসপেন্ড করল সরকার। ডিএম-র নেতৃত্বে ম্যাজিসস্ট্রেট পর্যায়ের তদন্ত হবে, মৃতের স্ত্রীকে সরকারি সাহায্য। মৃতের পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকার আর্থিক সাহায্য।
সোমবার সকাল থেকেই প্রমোদনগর এলাকায় কড়া নিরাপত্তার মোতায়েন করা হয় । গাড়ি থেকে নেবে ৩০০ মিটার হেঁটেই প্রয়াত তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে যান মুখ্যমন্ত্রী। পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি বাতিল করেই হালিশহরে গেলেন শুভেন্দু রবিবার দলের প্রয়াত কর্মীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন।
বাডি থেকে বেরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের সামনে বলেন, মৃতের স্ত্রী আমাকে একটি চিঠি দিয়েছেন। আমি প্রথমেই পরিবারকে সরকারের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন , মৃত্যু নিয়ে রাজনীতি করার সুযোগ দেননি। পরিবার রাজ্য প্রশাসনের উপর আস্থা রেখেছে এটা বড় পাওনা। গতকাল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এসেছিলেন পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে বিচার দিতে পারবেন প্রশাসন। অতীতে এমন উদাহরণ নেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী দুই মন্ত্রী পুলিশকে নিয়ে এসেছে রাজনৈতিক ভিন্নমত দলের কর্মী, পরিবার দুটো চেয়েছে দোষী পুলিশদের ব্যবস্থা নিতে হবে। আমার বাচ্চা ও পরিবারের দায়িত্ব নিতে বলে।
একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন ,যেহেতু পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু হয়েছে তাউই থানার আইসিকে ক্লোজ করা হচ্ছে, ওসিকে সাসপেন্ড করা হল। ডিএম ম্যাজিসস্ট্রেট পর্যায়ের তদন্ত করবে, সেই রিপোর্ট অনুসারে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মৃতের স্ত্রীকে সরকারি সাহায্য।আমার তিনটে এটেনডেন্ট লাগে বছরে। তারমধ্যে একজন হিসাবে তাঁকে নিয়োগ করলাম। ১২ মাস লোকাল থানায় কাজ করবেন তারপর পার্মানেন্ট হয়ে যাবে। মৃতের পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকার আর্থিক সাহায্য করা হয়েছে সিএম ফান্ড থেকে।
তৃণমূল কর্মী বিরজু কেওটকে থানায় নিয়ে গিয়ে অমানবিক অত্যাচার চালিয়ে মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। মৃতের স্ত্রীর অভিযোগ, হাত-পা বেঁধে আমার স্বামীকে নির্মমভাবে মারধর করা হয়েছে। দেহে সেই বাঁধনের দাগ স্পষ্ট, কান থেকেও রক্ত বেরিয়েছে।
















