ভুল বুঝিয়ে তাঁকে ঋতব্রতশিবিরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল তাঁকে। পরে সেই শিবির ছেড়ে ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে ফিরে আসেন ক্যানিং পশ্চিমের তৃণমূল বিধায়ক পরেশরাম দাস (Pareshram Das, Trinamool MLA from Canning West)। আর তার পরেই ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত ভোটের অশান্তির মামলায় সিআইডির (CID) তলব। মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টায় ভবানী ভবনে হাজির হওয়ার নির্দেশ থাকলেও নির্ধারিত সময়ে সেখানে উপস্থিত হননি বিধায়ক। তাঁর বদলে আইনজীবী ভবানী ভবনে গিয়ে আরও ৭ দিন সময় চেয়েছেন। তবে তাঁর আবেদন শোনেননি সিআইডি। তাঁকে ফের বৃহস্পতিবার ভবানী ভবনে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।
৫ সেপ্টেম্বর সিআইডির তরফে পরেশরাম দাসকে নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘিরে ক্যানিংয়ে অশান্তির ঘটনা ঘটে। সেই সময় গুলি চালানোর অভিযোগও ওঠে। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে খুনের চেষ্টার ধারায় মামলা রুজু হয়। পরে তদন্তভার নেয় সিআইডি। সেই মামলাতেই পরেশরাম দাসকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়। এর আগে এই মামলায় বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন তদন্তকারীরা।
নির্ধারিত দিনে বিধায়ক নিজে সিআইডি দফতরে না গিয়ে তাঁর আইনজীবীকে পাঠান। আইনজীবীর মাধ্যমে আরও কিছুটা সময় চাওয়া হয়েছে। তবে সিআইডি তাঁর আবেদন না শুনে তাঁকে আবারও বৃহস্পতিবার ডেকে পাঠিয়েছে। এর পাশাপাশি পরেশরাম দাসের বিরুদ্ধে ক্যানিংয়ের মাতলা নদীর চরে তাঁর মায়ের নামে বৃদ্ধাশ্রম তৈরির অভিযোগও রয়েছে। অভিযোগ, ম্যানগ্রোভ কেটে এবং নদীর গতিপথ বন্ধ করে ওই নির্মাণ করা হয়েছে। সরকারি জমিতে সরকারি প্রকল্পের টাকায় বৃদ্ধাশ্রম তৈরি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
















