স্কুলের পাঠ্যক্রমে পরিবর্তন ও পরিমার্জন প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করতে উদ্যোগী পাঠ্যক্রম (সিলেবাস অ্যান্ড ক্যারিকুলাম) কমিটি। চলতি মাসের তৃতীয় সপ্তাহের মধ্যে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করতে কলকাতার বিধাননগরে ৩ দিনের আবাসিক শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে। আগামী ১৭, ১৮ এবং ১৯ অগাস্ট এই শিবির অনুষ্ঠিত হবে। শিক্ষা দফতর সূত্রে খবর, আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যেই নতুন পাঠ্যবই ছাপতে পাঠানোর কড়া সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: শ্যালিকার মেয়েকে ধর্ষণ ও স্ত্রীকে খুন: বাদুড়িয়ায় আমৃত্যু কারাদণ্ড জামশেদের
বিধাননগরের নিবেদিতা ভবনে আয়োজিত এই ৩ দিনের শিবিরে রাজ্যজুড়ে শতাধিক প্রতিনিধিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। দূরের জেলা থেকে আসা সদস্যদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে কলকাতায়। অন্যদিকে, কাছাকাছি জেলার প্রতিনিধিরা প্রতিদিন বাড়ি থেকে যাতায়াত করে বৈঠকে অংশ নেবেন। শিক্ষা দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, এই শিবির চলবে প্রতিদিন সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। প্রতিটি বিষয়ের পাঠ্যবই নিয়ে পৃথক আলাদা বৈঠক হবে এই শিবিরে। প্রাথমিক পর্যায়ে প্রথম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠ্যক্রমে পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এর পরের ধাপে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যক্রম নিয়ে কাজ শুরু হবে। গত ৪ অগাস্ট বিধাননগরের বিদ্যাসাগর ভবনে পাঠ্যক্রম কমিটির প্রথম বৈঠকে পরিমার্জনের রূপরেখা তৈরি হয়েছিল।
হাতে অত্যন্ত কম সময় থাকায় এবং নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরুর আগে সমস্ত স্কুলে পর্যাপ্ত বই পৌঁছে দেওয়ার তাগিদে বড়সড় কোনো পরিবর্তনের পথে হাঁটছে না কমিটি। নিয়ম অনুযায়ী, নতুন পাঠ্যবইগুলি হাতে পাওয়ার শেষ তারিখ আগামী ১ ডিসেম্বর এবং আগামী বছরের ২ জানুয়ারির মধ্যে রাজ্যের সমস্ত স্কুলে তা পৌঁছে দিতে হবে। এর জন্য ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যেই বইগুলি প্রেসের মুদ্রণের জন্য পাঠাতে হবে।
আরও পড়ুন: এপার বাংলায় পদ্মার ইলিশে খরা! ঘাটতি মেটাতে ঢাকায় যাচ্ছে প্রতিনিধিদল
বর্তমান পরিমার্জনে বইয়ের বিষয়বস্তুতে ১০ শতাংশের বেশি পরিবর্তন করা হবে না। মূলত কিছু নির্দিষ্ট শব্দের বদল এবং সীমিত সংখ্যক অধ্যায়ের সংযোজন বা বিয়োজনের মাধ্যমেই এই দফার কাজ সীমাবদ্ধ রাখার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। কমিটি সদস্যদের পূর্বনির্ধারিত প্রস্তাব লিখিত আকারে তৈরি করে এই শিবিরে যোগ দিতে বলা হয়েছে, যেখানে বিশেষজ্ঞদের চুলচেরা বিশ্লেষণের মাধ্যমে সেগুলি চূড়ান্ত করা হবে।
















