Site Logo

জীবিত অবস্থাতেই পুকুরে! বারুইপুরকাণ্ডের ময়নাতদন্তের রিপোর্টে নৃশংস তথ্য

EBBS Desk··1 min read
জীবিত অবস্থাতেই পুকুরে! বারুইপুরকাণ্ডের ময়নাতদন্তের রিপোর্টে নৃশংস তথ্য

জীবিত অবস্থাতেই বস্তাবন্দি করে ফেলে দেওয়া হয় তারপর জলে ডুবে মৃত্যু! ইতিমধ্যেই বারুইপুরের নাবালিকা (১১) হত্যাকাণ্ডে উত্তপ্ত রাজ্য-রাজনীতি। রবিবারেই কাটাপুকুর মর্গে দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। সোমবার প্রাথমিক রিপোর্ট সামনে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। 

Sponsored

Sranchi In Article

ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে ইঙ্গিত, নাবালিকার যৌনাঙ্গে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। মাথাতেও বেশ বড় ক্ষত আছে, কোনও জায়গায় ঠুকে দেওয়ার ফলে বা ভারী কোনও বস্তু দিয়ে আঘাত করার ফলে ওই ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়াও, সারা শরীরে আঁচড়-কামড়ের দাগও রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর খবর হল পাকস্থলী ও ফুসফুসে জল-কাদা পাওয়া গিয়েছে। অর্থাৎ, যখন নাবালিকাকে জলে ফেলে দেওয়া হয় তখন সে জীবিত ছিল। তবে অনুমান করা হচ্ছে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ও জলে ডোবার ফলেই মৃত্যু হয়েছে তাঁর। তদন্তকারী ডাক্তারদের দাবি, শনিবার গভীররাতে মৃত্যু হয়েছে নাবালিকার। আরও পড়ুন: ১২৫তম জন্মবার্ষিকীতে শ্যামাপ্রসাদের ১২৫ ফুটের মূর্তির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শাহের

Sponsored

Merlin In Article

ইতিমধ্যেই পুলিশের হাতে একটি সিসিক্যামেরা ফুটেজ হাতে এসেছে।  তাতে শনিবার বিকেল ৪টে ৪১ মিনিটে সূর্যপুর বাজারের মূল রাস্তা দিয়ে ওই নাবালিকাকে হেঁটে যেতে দেখা যাচ্ছে। পিছনে লাল টি শার্ট এবং নীল টুপি পরা এক যুবককেও যেতে দেখা যায়। ঠিক তিন মিনিট পরে ওই যুবকের সঙ্গে ফিরতে দেখা যায় নাবালিকাকে। এই ফুটেজ দেখেই ওই যুবককে প্রভাস মণ্ডল বলে চিহ্নিত করেন স্থানীয়রা। তাঁকে সঙ্গে নিয়েই রবিবার সকাল সাতটা নাগাদ প্রায় এক কিলোমিটার দূরের একটি পুকুর থেকে নাবালিকার দেহ উদ্ধার হয়।

Sponsored

Shyam Sundar In Article

প্রভাসকেই জেরা করে বাকিদের সম্পর্কে জানতে পারে পুলিশ। তবে জেরায় প্রভাস যা বলেছেন, তাতেও অসঙ্গতি বিস্তর। প্রথমে তিনি কিছুই জানেন না বলে দাবি করেছিলেন। পরে পুলিশকে জানান, চার জন তাঁর কাছ থেকে ওই নাবালিকাকে নিয়ে চলে যান। এঁদের মধ্যে একমাত্র আনন্দ সর্দারকেই তিনি চেনেন। আনন্দ নাবালিকাকে অপহরণ করে তার বাবার কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ চাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন বলেও দাবি করেন প্রভাস।

Sponsored

Camelia In Article

পরিবারের অভিযোগ, নাবালিকাকে ধর্ষণ করে গলায় পা তুলে খুন করা হয়েছে। এই ঘটনা ঘিরে রবিবার দিনভর প্রতিবাদের আগুন জ্বলে এলাকায়। ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে একজনকে গণপিটুনি দিয়ে মেরে ফেলে উত্তেজিত জনতা। মৃতের নাম ইন্দ্রজিৎ তাঁতি (২৬)। তদন্তে ৬ সদস্যের সিট গঠন করা হয়। এলাকায় ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছে। ওই নাবালিকার বাবার সঙ্গে রবিবারই ফোনে কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার মৃতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার কথা আছে তাঁর।

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from রাজ্য

View All →