যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে তাণ্ডবের ঘটনায় শুভেন্দু অধিকারীকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করলেন লোকসভায় তৃণমূলের মুখ্য সচেতক কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার রাজধানীতে সাংবাদিকদের সামনে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন তিনি। তাঁর মন্তব্য, যাদবপুরের ঘটনা প্রমাণ করে দিল কতটা নৃশংস হতে পারে বিজেপি। এই দানবদের সরাতে হবে এখনই। কারণ এটা অস্তিত্বের প্রশ্ন। মুখ্যমন্ত্রীকে এক হাত নিয়ে কল্যাণের বিদ্রুপাত্মক মন্তব্য, শুভেন্দুর মতো ভীতু আর কেউ নেই। রুখে দাঁড়ালেই এই দানবদের সরাতে বেশিক্ষণ লাগবে না। পুলিশ নিয়ে চলছে মুখ্যমন্ত্রী। তাই পুলিশের অন্যায় দেখলেই প্রতিবাদ জানাতে হবে। রুখে দাঁড়াতে হবে। কল্যাণের মন্তব্য, শুভেন্দুর ১০০ দিনের সরকার কী করেনি? শুধুই নেগেটিভ ওয়ার্ক। ১০০ গাড়ি ভেঙেছে। ১৫,০০০ তৃণমূলকর্মীকে গ্রেফতার করেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ প্রায় ৫০ জনের গাড়িতে ইঁট মেরেছে। সৌগত রায়ের মতো ৮১ বছরের একজন সাংসদের বিরুদ্ধে অসম্মানজনক কথা বলেছে। সবচেয়ে হাসির কথা, চোর চোর বলে চিৎকার করছে ওরা। আরে চোর যদি সবচেয়ে বড় কেউ হয়, সেটা তো শুভেন্দু অধিকারী।
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাফ কথা, বিজেপির শাসনে বাংলা লুঠেরা আর গুণ্ডা-মস্তানদের দখলে চলে গিয়েছে। শুভেন্দুর নেতৃত্বেই চলছে এসব। খুনি-ডাকাতরা তাণ্ডব চালাচ্ছে। এককাট্টা হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে এর বিরুদ্ধে। ছাত্র-যুবকদের এগিয়ে আসতে হবে বিজেপিকে উৎখাত করতে। একসঙ্গে লড়াই করার বার্তাও দিয়েছেন শ্রীরামপুরের সাংসদ। বামেরাও যে অছ্যুত থাকবে না সেটা তাঁর বার্তা থেকেই স্পষ্ট।
কল্যাণের কথায়, ‘‘ছাত্র যুবকদের বলব রাজনৈতিক রেখা দূরে সরিয়ে লড়তে হবে। দীপ্সিতা আমার কাছে অস্পৃশ্য নয়। দীপ্সিতাদের কাছে আমিও অস্পৃশ্য নই। ওর কিছু হলে আমার পাশে দাঁড়ানো উচিত। আমাদের কিছু হলে ওদের পাশে দাঁড়িয়ে যাওয়া উচিত। এই নীতিতে গ্রাহ্য করলে, ভবিষ্যতে কে রাজা হবে সেটা বড় কথা নয় আজকে। ভবিষ্যতের অস্তিত্ব বাঁচিয়ে রাখা এই দানব সরকারের কাছে বড় কথা। একসাথে না লড়লে এই দানব সরকারের বিরুদ্ধে লড়া যাবে না।’’
















