যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) দেওয়ালে এবিভিপির ‘ফ্রি পিওকে’ লিখন ঘিরে বিজেপিকে নিশানা করলেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষের (Trinamool MLA Kunal Ghosh)। তাঁর প্রশ্ন, গোটা কাশ্মীরই তো ভারতের, তখন কলকাতার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়ালে ‘ফ্রি পিওকে’ লিখে কী লাভ? কুণালের কটাক্ষ, ‘‘১২ বছর ধরে নরেন্দ্র মোদি সরকারই তো কেন্দ্রে রয়েছে। তাহলে এখনও দেওয়াল লিখতে হচ্ছে কেন? দখল করেননি কেন?’’

যাদবপুরের দেওয়াল লিখন নিয়ে এর আগে কড়া অবস্থান নিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (BJP State President Shamik Bhattacharya)। দেশবিরোধী স্লোগান যারা লিখবে, তাদের চিহ্নিত করে পুলিশকে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি। এমনকি ‘ভারত তেরি টুকরে হোঙ্গে’ স্লোগানের প্রসঙ্গ তুলে আরও কড়া ভাষায় মন্তব্য করেন শমীক। তাঁর সেই মন্তব্যের আবহেই এবিভিপির ‘ফ্রি পিওকে’ লিখনকে সামনে রেখে বিজেপিকে পাল্টা প্রশ্ন করেছেন কুণাল।

কুণালের বক্তব্য, POK নিয়ে দেওয়ালে স্লোগান লেখার ফলে রাজনৈতিক বার্তা দেওয়ার বদলে কেন্দ্রের উচিত বাস্তবে পদক্ষেপ করা। তাঁর প্রশ্ন, ‘‘কাশ্মীর যদি ফ্রি করে নেওয়ারই হয়, তাহলে এখন দেওয়াল লিখন নিয়ে ঝগড়া করে কী হবে? কেন্দ্র তো রয়েছে।’’ এরপরই ট্রাম্প প্রসঙ্গ টেনে বিজেপিকে আরও খোঁচা দেন কুণাল। তাঁর কটাক্ষ, বিজেপি নেতারা একটু এগোলেই ট্রাম্প আবার টুইট করে দিতে পারেন। তাই পাকিস্তান নিয়ে কিছু বলার আগে এবিভিপিকে ট্রাম্পের অনুমতি নেওয়ারও ব্যঙ্গাত্মক পরামর্শ দেন তিনি।

যাদবপুরের দেওয়াল লিখনকে ঘিরে বামেদের ‘আজাদি’র পাল্টা এবিভিপির ‘ফ্রি পিওকে’ স্লোগান ঘিরেই শুরু হয়েছে এই রাজনৈতিক তরজা। একদিকে শমীকের কড়া বার্তা, অন্যদিকে কুণালের পাল্টা কটাক্ষ।