পুজোর আগেই রাজ্যের দুই বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন (By-election) আর তার কয়েকদিন পরেই পুরভোট। ভোটের আবহে তৃণমূল কংগ্রেসের (Trinamool Congress) ‘জোড়াফুল’ প্রতীক নিয়ে যখন রাজনৈতিক টানাপোড়েন তুঙ্গে, ঠিক তখনই নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের প্রার্থী ঘোষণা করল তৃণমূল কংগ্রেস। নন্দীগ্রামে প্রার্থী (Candidate in Nandigram) করা হয়েছে সঞ্চিতা প্রধান দে-কে (Sanchita Pradhan Dey)। রেজিনগরে প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরী (Rabiul Alam Chowdhury is the candidate for Rejinagar)। শেষ পর্যন্ত স্থানীয় নেত্রী সঞ্চিতার উপরেই ভরসা রাখল দল।

নন্দীগ্রামের রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের পরিচিত মুখ সঞ্চিতা প্রধান দে। ২০১৩ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত তিনি নন্দীগ্রাম ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য ছিলেন। ২০১৩-১৮ মেয়াদে নারী ও শিশুকল্যাণ কর্মাধ্যক্ষ এবং ২০১৮-২৩ মেয়াদে শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষের দায়িত্ব সামলান তিনি। তবে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয়ের পাশাপাশি সামনে আসে টেট-নিয়োগ সংক্রান্ত মামলার প্রসঙ্গও। ২০১৪ সালের টেট নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় ২০২২ সালে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে ২৬৯ জনের চাকরি বাতিল হয়েছিল। সেই তালিকায় সঞ্চিতা প্রধান দে-র নামও ছিল। পরবর্তী সময়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের ভিত্তিতে তিনি চাকরি ফিরে পান।

নন্দীগ্রামে তৃণমূল কংগ্রেস এর তরফে প্রার্থী ঘোষণার পরেই আরও জোরালো হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। সঞ্চিতাকে প্রার্থী করতেই পাল্টা প্রার্থী দেওয়ার বার্তা এসেছে ঋতব্রত শিবিরের তরফে তবে এখনও প্রার্থী ঘোষণা করেনি বিজেপি। প্রসঙ্গত,কলকাতা, হাওড়া-সহ রাজ্যের ৮ পুরসভার ভোট হওয়ার সম্ভাবনা নভেম্বরে।