ঝড়-বৃষ্টি-ধসের কবলে দেশ। এল নিনোর জেরে বিশ্বব্যাপী আবহাওয়ার উপর বিরূপ প্রভাব পড়েছে। ইসরোর (ISRO) গবেষণা বলছে, বছরের শেষে আসতে পারে ভয়ঙ্কর ঝঞ্ঝা। ২০২৬ এর শেষ তিন মাস- অক্টোবর, নভেম্বর,ডিসেম্বর উত্তর ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে (North Indian Ocean Region) তৈরি হতে চলেছে তিন তীব্র ঘূর্ণিঝড় (Cyclone)।
অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে প্রায় তিনটি ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড় তৈরি হতে পারে। জানিয়েছে, ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর অধীন স্পেস অ্যাপ্লিকেশনস সেন্টারের। ISRO-র Meteorological & Oceanographic Satellite Data Archival Centre (MOSDAC) একটি গ্রাফ প্রকাশ করে বলেছে, বর্ষা পরবর্তী মরশুমে উত্তর ভারত মহাসাগরে তিনটি ট্রপিক্যাল সাইক্লোন তৈরি হতে পারে। সম্ভাব্য এই ঘূর্ণিঝড়গুলোর সম্মিলিত শক্তি মারাত্মক হতে পারে।
Meteorological & Oceanographic Satellite Data Archival Centre পূর্বাভাসে জানিয়েছে, চলতি বছরের বর্ষা - পরবর্তী মরশুমে উত্তর ভারত মহাসাগরে তিনটি ট্রপিক্যাল ঘূর্ণিঝড় তৈরি হতে পারে। সম্ভাব্য এই ঘূর্ণিঝড়গুলোর সামগ্রিক ধ্বংসক্ষমতা হতে পারে মারাত্মক। গত ৮ সেপ্টেম্বর MOSDAC-এর ওয়েবসাইটে পূর্বাভাসটি প্রকাশিত হয়েছে। এই পূর্বাভাস যদি সত্যি হয়, তবে এই তিনটি ঝড়ের শক্তি গত ৪৪ টি ঘূর্ণিঝড়ের শক্তির চেয়ে প্রায় ৮৩% বেশি। অর্থাৎ ঝড়গুলি হতে চলেছে মারাত্মক শক্তিশালী।
ISRO-র এই রিসার্চ, আগামীতে দুর্যোগ মোকাবিলার পরিকল্পনায় সাহায্য করবে। পূর্বাভাস অনুসারে, অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে আরব সাগর ও বঙ্গোপসাগরের ঘূর্ণিঝড়ের পরিস্থিতির দিকে বাড়তি নজর রাখতে হবে।
তবে সেপ্টেম্বরের এই মৌসুমি পূর্বাভাস থেকে কোনো নির্দিষ্ট ঘূর্ণিঝড় কোথায় তৈরি হবে, তার গতিপথ কী হবে বা কোন উপকূলে আঘাত করবে, বলা সম্ভব নয়। তবে অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরে ঘূর্ণিঝড়ের গতিপ্রকৃতির দিকে নজর রাখা জরুরি।
২০২৬ সালের বর্ষা পরবর্তী সময়ে বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরের পাশাপাশি আন্দামান সাগর, দক্ষিণ চিন সাগর এবং পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের ট্রপিক্যাল সিস্টেমগুলোর গতিবিধিও নজরে রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
















