২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি ঝাড়গ্রাম মহকুমার বিনপুর-১ ব্লকের লালগড় গ্রামপঞ্চায়েত এলাকার নেতাই গ্রামে গ্রামবাসীদের উপর এলোপাথাড়ি গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছিল সিপিএমের বিরুদ্ধে। সেই ঘটনায় প্রাণ হারান ৯ জন। এক যুগ ধরে সে মামলা চলেছে। প্রাথমিকভাবে এই তদন্তভার সিআইডির হাতে গেলেও পরে সিবিআই তদন্ত শুরু করে। ২০১৪ সালের ২৮ এপ্রিল অভিযুক্ত ডালিম-সহ পাঁচজনকে হায়দরাবাদ থেকে গ্রেফতার করা হয়। তিনজন মেদিনীপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগরে বন্দি ছিলেন। আরও পড়ুন : আউটরাম ঘাট থেকে মেলার সূচনা: প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে বুধে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী এদিন শহিদদের প্রতি সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে শ্রদ্ধা জানালেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তিনি লেখেন, নেতাই-এর অমর শহিদদের প্রণাম। ২০১১ সালে আজকের দিনে ঝাড়গ্রাম জেলার নেতাই গ্রামে সিপিএমের হার্মাদবাহিনীর হাতে ৯ জন নিরীহ মানুষ নির্মমভাবে প্রাণ হারান। নেতাই গ্রামের সেই অমর শহিদদের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা ও প্রণাম। - - - -নেতাই -এর অমর শহিদদের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা ও প্রণাম।
আজকের দিনে ২০১১ সালে ঝাড়গ্রাম জেলার নেতাই গ্রামে হার্মাদবাহিনীর হাতে প্রাণ হারান ৯ জন নিরীহ মানুষ। নেতাই-এর সেই সকল শহিদের প্রতি জানাই আন্তরিক শ্রদ্ধাঞ্জলি। — Mamata Banerjee (@MamataOfficial) January 7, 2026
নেতাই হত্যাকাণ্ড বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য সরকারের কফিনে শেষ পরেকটা পুঁতে দিয়েছিল। গুলি চালিয়ে ৯ জন গ্রামবাসীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছিল সিপিএম-এর বিরুদ্ধে। বুধবার নেতাই শহীদ দিবস (Netai Martyrs Day)। সেই শহিদদের সোশ্যাল হ্যান্ডেলে শ্রদ্ধা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তিনি লেখেন, আজকের দিনে ২০১১ সালে ঝাড়গ্রাম জেলার নেতাই গ্রামে সিপিএমের হার্মাদবাহিনীর হাতে ৯ জন নিরীহ মানুষ নির্মমভাবে প্রাণ হারান। নেতাই এর সকল শহিদের প্রতি জানাই আমার আন্তরিক শ্রদ্ধাঞ্জলি।
Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored













