Site Logo

CEO মিথ্যে বলেছেন! স্ট্রং রুম নিয়ে DEO-র বক্তব্য তুলে কটাক্ষ তৃণমূলের

EBBS Desk·
CEO মিথ্যে বলেছেন! স্ট্রং রুম নিয়ে DEO-র বক্তব্য তুলে কটাক্ষ তৃণমূলের

নির্বাচন কমিশনের ওয়েব কাস্টিংয়ে স্পষ্ট ধরা পড়েছে পোস্টাল ব্যালটে কারচুপি। তা নিয়ে পরবর্তীতে স্বচ্ছতার দাবিও করেছেন খোদ স্ট্রং রুমের দায়িত্বে থাকা ডিইও। তারপরেও মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO Manon Agarwal) দাবি করলেন স্বচ্ছতা বজায় রেখে পোস্টাল ব্যালট সেগ্রিগেট (segregate) করা হচ্ছিল। মেল করে তা জানানো যে দাবি সিইও বৃহস্পতিবার রাতে করেছেন, সেখানেই পাল্টা তৃণমূলের প্রশ্ন, যদি মেল করা হয়েছিল তবে কোনও দলের প্রতিনিধি সেখানে কেন এলেন না? কার্যত নিজের উত্তরে সিইও নিজেই প্রমাণ করে দিলেন তিনি শাক দিয়ে মাছ ঢাকছিলেন।

Sponsored

Sranchi In Article

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে প্রস্তাব মেলোট নিয়ে কারচুপি ধরে ফেলে তৃণমূল নেতৃত্ব। এরপরই রাতে সাংবাদিক বৈঠক করে সিইও মনোজ আগরওয়াল দাবি করেন স্ট্রং রুম সুরক্ষিত রয়েছে। পোস্টাল ব্যালট সেগ্রিগেশনের সময় মেল করে জানানো হয়েছিল সব রাজনৈতিক দলকে। অথচ তার আগেই ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের ডিইও (DEO) স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন ভুল তাঁদের তরফ থেকে হয়েছিল।

সেই প্রসঙ্গ এবার তুলে ধরে বেলেঘাটার তৃণমূল প্রার্থী কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh) দাবি করেন, সিইও (CEO Manoj Agarwal) মিথ্যে বলেছেন। গোটা কলকাতার যতগুলি প্রার্থীর এজেন্ট আছেন, তাঁরা কেউ এলেন না। এতগুলি প্রার্থী, নির্দলসহ। কেউ এলেন না! শাক দিয়ে মাছ ঢাকছেন সিইও। অথচ ওনার ডিইও বলছেন ভুল হয়েছিল।

সিইও মনোজ আগরওয়াল যে মেল করার দাবি করছেন, তা কতটা দায়িত্বজ্ঞানহীনভাবে করা হয়েছিল তা বৃহস্পতিবারই প্রমাণ করে দিয়েছিলেন তৃণমূল নেতৃত্ব। শুক্রবার আরও স্পষ্ট করে কুণাল ঘোষ তুলে ধরেন, সিইও ভিত্তিহীন কথা বলছেন। বিকাল ৪টে পর্যন্ত এজেন্ট থেকে কর্মীরা সেখানেই ছিলেন। তাঁদের বলা হয়নি। মেল করেছেন ৩.২০-তে। যে চারটে থেকে খোলা হবে। যাঁরা মেল পাচ্ছেন তাঁরা জানেন ওখানে লোক রয়েছে। অথচ যাঁরা ওখানে রয়েছেন তাঁদের বলা হচ্ছে সেখানে কিছু করা হচ্ছে না। আপনারা বলেছেন আজ কিছু হচ্ছে না। কোনও প্রার্থী (candidate) নেই। কোনও প্রার্থীর (agent) এজেন্ট নেই। ফলে ভুল করে, বেআইনি কাজ করে ধরা পড়েছেন।

আরও পড়ুন : ১২ ঘণ্টা আগে ভোট ঘোষণা! দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার একাধিক কেন্দ্রে পুণর্নির্বাচন শনিবার

এই মিথ্যাচারের পর্দাফাঁস হতেই যে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রকে বড় বড় গার্ডরেল দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়। আদতে এটা যে বিজেপির হারকে রুখতে কমিশনের উদ্যোগ, তা নিয়েও কটাক্ষ তৃণমূলের। কুণাল ঘোষ দাবি করেন, সব করেও দেখেছে তৃণমূলকে হারাতে পারছে না। এখন শেষ চেষ্টা কীভাবে এই মেশিনগুলো নেওয়া যায়। কথার মারপ্যাঁচে ঘিরে দিয়ে কিছু একটা করার চেষ্টা। সেই জন্যই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে স্ট্রং রুমে যাচ্ছেন। ফলে আমাদেরও স্ট্রং রুম থেকে গণনায় চূড়ান্ত সতর্কতা রাখতে হবে।

-

-

-

-

Sponsored

Merlin In Article

Sponsored

Shyam Sundar In Article

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →