বাংলা চলচ্চিত্র উজ্জ্বল নক্ষত্র মহানায়ক উত্তমকুমার (Uttam Kumar)। তাঁর ‘জন্মশতবর্ষ উদযাপন’ অনুষ্ঠানে বিশেষভাবে সম্মান জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Chief Minister Suvendu Adhikari)। বাণীচক্র এবং ভারত সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রকের পূর্বাঞ্চল সংস্কৃতি কেন্দ্রের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে মহানায়ককে স্মৃতিচারণের পাশাপাশি তাঁর জন্মদিন ও প্রয়াণ দিবস ঘিরে রাজ্য সরকারের পরিকল্পনার কথাও জানান মুখ্যমন্ত্রী। বক্তব্যের শুরুতেই উত্তমকুমারের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে মহানায়ক একজনই, তিনি উত্তমকুমার। তাঁর কোন বিকল্প হয়না। জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের জন্য বাণীচক্রকেও ধন্যবাদ জানান তিনি।

আরও পড়ুন: রেজিনগরে বুথ দখলের চেষ্টা! বিজেপির চক্রান্ত ফাঁস করলেন কুণাল

মুখ্যমন্ত্রী জানান, আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় আমার কাছে এসে উত্তমকুমারের জন্মশতবর্ষ বিশেষভাবে পালনের অনুরোধ করেছিলেন। এরপর পুরো আয়োজনের দায়িত্ব শিল্পী মহলের উপর ছেড়ে দেওয়া হয়। মিঠুন চক্রবর্তী, সন্দীপ রায়, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, জিৎ, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত-সহ একাধিক শিল্পী ও কলাকুশলী সেই দায়িত্ব পালন করেন। তাঁদের উদ্যোগে চার দিন ধরে নানা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মহানায়ককে স্মরণ করা হয়। সেইসঙ্গে উত্তমকুমারের জন্মদিন ও প্রয়াণ দিবস কীভাবে পালন করা হবে, সেই পরিকল্পনার কথাও এদিন জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, মহানায়কেরের জন্মদিন প্রত্যেকবছর পশ্চিমবঙ্গ সরকার আনন্দের সঙ্গে পালন করা হবে। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে। সেইসঙ্গে মহানায়কের প্রয়াণ দিবস পালন করা হবে। বাণীচক্রের ভূমিকার কথাও আলাদা করে উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে আগামী দিনে রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর কীভাবে যৌথভাবে কাজ করতে পারে, তা নিয়ে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা করার কথাও জানান শুভেন্দু। 

এদিনের অনুষ্ঠানে দুর্গাপুজোর প্রসঙ্গও উঠে আসে। পিতৃপক্ষ চলায় এখনই পুজোর শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন না বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেনে বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেবী দুর্গার আগমনকে স্বাগত জানানোর পরিকল্পনার কথা বলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এ বার প্রচলিত কার্নিভালের পরিবর্তে মহালয়ার দিন আগমনীর মাধ্যমে দেবীকে বরণ করার আয়োজন থাকবে। তিন হাজার ড্রোনের মাধ্যমে আকাশে বিশেষ প্রদর্শনীর পরিকল্পনাও রয়েছে।