'আরশোলা'দের আন্দোলনে ভয় পেয়েছে কেন্দ্র! শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার পর এবার প্রতিবাদীদের গ্রেফতারের মামলা প্রত্যাহার না করলে সিজেপির আরও বড় কর্মসূচি ও ধর্নার 'হুঁশিয়ারি' আসতেই একের পর এক বিজেপি শাসিত রাজ্যে ধৃতদের মুক্তি দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় বিহার সরকারের পদক্ষেপের পর রাতে ডবল ইঞ্জিন রাজ্য অসমেও (Assam) একই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। অর্থাৎ হিমন্ত বিশ্বশর্মার রাজ্যেও (Assam Government) নিট প্রশ্নফাঁস কেলেঙ্কারি (NEET Scam) বিরুদ্ধে সরব হওয়া যে সকল প্রতিবাদীদের গ্রেফতার করা হয়েছিল তাঁদের মুক্তি দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু আরেক ডবল ইঞ্জিন রাজ্য বাংলা ব্যতিক্রমী! বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গিয়েছে যে কেন্দ্রীয় সরকার নাকি শুভেন্দু অধিকারীর (CM Suvendu Adhikari) প্রশাসনকে জানিয়ে দিয়েছে মামলা প্রত্যাহারের জন্য। কিন্তু এখনও পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী বা রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতরের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বা বিবৃতি দেওয়া হয়নি।
বিহারের পর অসমেও নিট আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার, কী ভাবছে শুভেন্দুর সরকার
Sponsored

ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলন শুরু করে ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)। সংসদ অভিযানে পুলিশের বেধড়ক লাঠিচার্জের পর ক্ষিপ্ত ওই ওঠে দেশের বিভিন্ন রাজ্যের ছাত্র যুবরা। বিক্ষোভ আন্দোলন বাড়তে থাকে সর্বত্র। ধরপাকড় শুরু করে পুলিশ। সব থেকে বেশি অভিযোগ আসে বিজেপি শাসিত তিন রাজ্য বিহার, অসম ও পশ্চিমবঙ্গ থেকে। শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার পর সিজেপি সাফ জানিয়ে দেয়, ধৃত আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের নিঃশর্ত মুক্তি না দিলে তারা আরও বড় কর্মসূচি শুরু করবেন। এতে কিছুটা ব্যাকফুটে চলে যায় কেন্দ্র। একের পর এক রাজ্য থেকে মামলা প্রত্যাহারের খবর মিলতে শুরু করে। প্রথমে বিহার, তারপর অসম। হিমন্ত বিশ্বশর্মার সরকার জানিয়েছে, NEET-বিক্ষোভের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে অসম পুলিশ বা সে রাজ্যের অন্য তদন্তকারী সংস্থা কোনও আইনি পদক্ষেপ করবে না। রুজু হওয়া ওই মামলা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া অবিলম্বে শুরু হবে। যাঁদের পাকড়াও করা হয়েছে, তাঁদের গ্রেফতারির বিষয়টি পর্যালোচনা করে মুক্তির প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু হবে।সোমবার মধ্যরাতে কেন্দ্রের প্রতিনিধিরা তাদের সঙ্গে দেখা করেন বলে জানিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি। রাত ১টা নাগাদ সিজেপি-র অন্যতম মুখপাত্র সৌরভ দাস একটি ভিডিয়ো-বার্তায় জানান, যে সমস্ত আন্দোলনকারীকে আটক বা গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁদের প্রত্যেককে ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে আশ্বস্ত করেছে সরকার।কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ সরকার (Govt of West Bengal) কী ভাবছে? গুন্ডা দমন আইন প্রয়োগ করে গত শুক্রবার কলকাতার ধর্মতলার মিছিল থেকে অশান্তি পাকানোর অভিযোগে ৭০ জনকে চিহ্নিত করা হয় এবং গ্রেফতার করা হয় ১৬ জনকে। কেন এখনও বাংলায় আন্দোলনকারীদের মুক্তি দেওয়ার কোনও ঘোষণা হল না, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored













