সুব্রত কাপেই অনূর্ধ্ব-১৫ বালক বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ঝাড়গ্রামের মাণিকপাড়া বিবেকানন্দ বিদ্যাপীঠ।

 

চ্যাম্পিয়ন হাইস্কুলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ। দলের সাত- আট জন ফুটবলার ভুয়ো! একজনের নামে অন্য জন ফুটবল খেলেছেন বলে অভিযোগ! ফুটবলার বাছাই এর কাজে যুক্ত থাকা কল্যাণ দাসের অভিযোগ। একজনের নামে রেজিস্ট্রেশন খেলেছেন অন্যজন। বয়স বা ভাঁড়ানো হয়েছে বলে দাবি। একাধিক ফুটবলার ভিন্ন নামে খেলেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। যা নিয়ে বিতর্ক চরমে।

 

 

যদিও এই হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।ঐতিহ্যবাহী সুব্রত কাপে প্রথম ম্যাচ থেকেই মানিকপাড়ার ছেলেদের দাপট ছিল চোখে পড়ার মতো।

 

 মঙ্গলবার এই চ্যাম্পিয়ন দলের ফুটবলারদের সংবর্ধনা দেবে রাজ্যের ক্রীড়া দফতর । নবান্নে সংবর্ধনা দে lওয়া হবে কিন্তু তার আগেই বিতর্ক দেখা দিয়েছে । যদিও চ্যাম্পিয়ন দলকে শুভেচ্ছা জানিয়ে পোস্ট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ।নিজের সোশ্যাল মিডিয়াতে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, ৬৫তম সুব্রত কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে (অনূর্ধ্ব-১৫ বালক বিভাগ) চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য ঝাড়গ্রামের মাণিকপাড়া বিবেকানন্দ বিদ্যাপীঠের কিশোর ফুটবলারদের আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন তিনি। দীর্ঘ ২৯ বছর পর পশ্চিমবঙ্গের কোনও দল এই টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হল, এও মনে করিয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।

 

২০১১ সালে পশ্চিমবঙ্গের এনসিসি এই টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হলেও বাংলার কোনও স্কুল শেষবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ২০০০ সালে। সে বছর খেতাব জিতেছিল পুরুলিয়ার রাঙাডিহা স্কুল।