খেলার মাঠে পাকিস্তানকে বয়কট নীতি অব্যাহত ভারতের। রবিবার রাতে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে এশিয়া কাপ জিতলেও এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের প্রধান নাকভির হাত থেকে ট্রফি নেননি হরমনপ্রীত কৌররা। গত বছর সূর্যকুমার যাদবদের মতোই একই পথে হাঁটেন হরমনপ্রীত-স্মৃতিরা। 
 

টুর্নামেন্ট-পরবর্তী পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের জন্য ভারতীয় খেলোয়াড়রা মাঠে আসেননি। এসিসি প্রধান তথা পাক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী মহসিন নকভির জন্য অপমানের এখানেই শেষ ছিল না।  স্টেডিয়ামে উপস্থিত দর্শকরা তাঁকে 'ট্রফি চোর' বলে চিৎকার করতে থাকে-যার অর্থ হল এমন ব্যক্তি যিনি ট্রফি চুরি করেন। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে  ভারতীয় দলের জন্য অপেক্ষা করার পর মাঠ ত্যাগ করেন নাকভি। এর আগে সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দলটি মূল ট্রফিটি ছাড়াই মঞ্চে এক আনঅফিসিয়াল উদযাপনে মেতে ওঠে। যদিও এবার ট্রফি নিজের সঙ্গে নিয়ে বেরিয়ে যাননি। 

বিসিসিআই (BCCI) সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া নন্দিনী শর্মাকে দলের অভ্যন্তরীণ 'সেরা ফিল্ডার'-এর পদক প্রদান করার পর ভারতীয় মহিলা দলের সদস্যরা আর মাঠে ফিরে আসেননি।  পহেলগাঁও হামলার পরই ভারতীয় ক্রিকেট টিম ২২ গজেও তিক্ততাও বৃদ্ধি পেয়েছে। পাকিস্তানের মন্ত্রী তথা এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল প্রধানের হাত থেকে ট্রফি না নিয়ে আবারও সপাটে জবাব ভারতের। দেশের সম্মান রক্ষার্থে পুরুষ দলের মতোই সিদ্ধান্ত নিলেন রিচা, হরমনপ্রীতরা।

 

মাঠে ক্রিকেটাররা নাকভির সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখলেও মাঠের  বাইরে ২ দেশের বোর্ড কর্তারা কিন্তু কাছাকাছি থাকলেন।  কিন্তু খেলার শেষ দিকে দেখা গেল, দেবজিৎ সাইকিয়া ও রাজীব শুক্লার ঠিক পিছনে বসে রয়েছেন তিনি। খেলা শেষে সাইকিয়ার পাশে দাঁড়িয়ে কথা বলতে দেখা যায় নকভিকে।