১৪ বছর পর দলীপ ট্রফি জিতল পূর্বাঞ্চল। দক্ষিণাঞ্চলের বিরুদ্ধে ফাইনালে ম্যাচ ড্র হলেও প্রথম ইনিংসে লিড পাওয়ার সুবাদে ট্রফি জিতল ইস্ট জোন। ম্যাচের চতুর্থ দিনেই ফলাফল প্রায় নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। শেষ দিনে পূর্বাঞ্চলের ট্রফি জয় ছিল সময়ের অপেক্ষা। অবশেষে ১৪ বছরের অপেক্ষার অবসান হলো।

 ঈশান কিষানের নেতৃত্বে দলীপ ট্রফি জিতল পূর্বাঞ্চল। এবার শুরু থেকেই ভালো খেলছিল পূর্বাঞ্চল। যথেষ্ট শক্তিশালী দল নিয়েই খেলতে নেমেছিল ইস্ট জোন। ঈশান কিষাণ, মহম্মদ শামি, বৈভব সূর্যবংশী, মুকেশ কুমার সমৃদ্ধ পূর্বাঞ্চল গোটা টুর্নামেন্টে দুরন্ত পারফরম্যান্স করে। ফাইনালে প্রথম ইনিংসে ৭০৮ রানের বিশাল স্কোর খাড়া করে পূর্বাঞ্চল।জবাবে  দক্ষিণাঞ্চলের প্রথম ইনিংস শেষ হয় ৩৩৬ রানে।  প্রথম ইনিংসে লিড পাওয়ায় ট্রফি প্রায় নিশ্চিত হয়ে যায় পূর্বাঞ্চলের।  তিলক বর্মা ৯৯ রান করেন। প্রথম ইনিংসে  মুকেশ কুমারের শিকার ৬২ রানে ৩ উইকেট। মহম্মদ শামি নেন ৪২ রানে ২ উইকেট। দু’টি করে উইকেট নেন কৌনাইন কুরেশি এবং শিখর মোহন।   ৩৭২ রানে এগিয়ে ছিল পূর্বাঞ্চল।

আরও পড়ুন: IND vs AFG: সিরিজ শুরুর আগেই চোটের ধাক্কা, তারকা পেসারের পরিবর্ত ঘোষণা বোর্ডের

 প্রথম ইনিংসে ২৭০ রানের ইনিংস খেলেন অধিনায়ক ঈশান কিষাণ। ঈশান প্রথম ইনিংসে দ্বিশতরানের পর দ্বিতীয় ইনিংসেও ভালো খেললেন ঈশান। তবে ৮০ রানের মাথায় চালিয়ে খেলতে গিয়ে উইকেট দেন। ৫২ করেন মোহন।দলীপ ট্রফির ফাইনালে দ্বিতীয় ইনিংসে পূর্বাঞ্চল ৭ উইকেটে ৩৮৮ রান তোলার সঙ্গে সঙ্গে খেলার সমাপ্তি টানেন আম্পায়াররা। কুমার কুশাগ্র ৪৬ রানে ফিরলেও মহম্মদ কুরেশি ও অনুকূল রায়ের জুটিতে ওঠে ১৫০ রান। এতে পূর্বাঞ্চলের ভিত আরও শক্ত হয়। অনুকূল ফেরেন ৬৪ রানে। কুরেশি ১১৬ রানে অপরাজিত থেকে যান। জয়ের  পরই উল্লাসে মাতেন বৈভবরা। ১০০তম ঘরোয়া ক্রিকেটের ম্যাচ স্মরণীয় করে রাখলেন শামি। 

 

 পূর্বাঞ্চল দলকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সিএবি সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। সমাজ মাধ্যমে মহারাজ লিখেছেন, “ঈশান কিশনের নেতৃত্বে এত বছর পর আবার দলীপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় পূর্বাঞ্চলকে শুভেচ্ছা। প্রতিযোগিতায় ওরা অপরাজিত থেকেছে। দলের বাকি সদস্য ও বাংলার ক্রিকেটারেরা যে দুর্দান্ত ক্রিকেট খেলেছে, তার জন্য ওদের কুর্নিশ।”