ধর্মতলায় ছাত্র যুবদের আন্দোলনে অশান্তি এবং সাংবাদিকদের হেনস্থার ঘটনায় গ্রেফতার আরও ৩, মোট গ্রেফতারের সংখ্যা ১৪। ঘটনার সময় ভিডিও ফুটেজ দেখে শনাক্ত করা হয়েছে অভিযুক্তদের। শনিবার পর্যন্ত গ্রেফতারির সংখ্যা ছিল ১১ রবিবার রাতভোর তল্লাসি চালিয়ে আরও তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়।

ধৃতদের মধ্যে রয়েছে ইরফান খুরশিদ, আরশাদ আলি ওরফে সাজিদ নামের একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মহম্মদ মইনুদ্দিন( ২৬ )তিলজলার বাসিন্দাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এদের মধ্যে কেউ কেউ ভিন রাজ্যে পালানো ছক করছিল।

 

ধর্মতলায় ছাত্র বিক্ষোভে বিশৃঙ্খলা ও সাংবাদিকদের মারধরের ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছে শেখ আফরোজ। সূত্রের খবর, তার সঙ্গে তৃণমূলের যোগসূত্র পেয়েছে পুলিশ। এমনকী, বিধানসভা ভোটের প্রচারে মেটিয়াবুরুজের তৃণমূল বিধায়ক খালেক মোল্লার সঙ্গে দেখা গিয়েছে আফরোজকে, এমনটাই সূত্রের খবর। যদিও বিধায়ক খালেক মোল্লার দাবি, তিনি আফরোজকে চেনেন না।

 

এদিকে নন্দীগ্রামে মন কি বাত অনুষ্ঠান শোনার পর মুখ্যমন্ত্রী  এই প্রসঙ্গে বলেন, সাংবাদিকরা মামলা করেছেন। এই প্রথম সাংবাদিকরা মামলা করেছেন। এর আগে পঞ্চায়েত ভোট বা অভয়ার সময় সাংবাদিকরা মার খেয়েছেন কিন্ত প্রেস ক্লাব বা পুলিশ কোনও ভূমিকা নেয়নি। আমরা শুধু মুখে বলি না কাজে করি। সঙ্গে সঙ্গে পিজিতে যাই, এতে সাংবাদিকরা সাহস পায়। মোট ১৪ জন গ্রেফতার হয়েছেন। এর সঙ্গে নেট আন্দোলনের সম্পর্ক নেই। জামাতিরা আছে এর নেপথ্যে। এদের অনেক রাগ আছে কারণ আমরা বেশ কিছু ব্যবস্থা নিয়েছি। ভারতকে দুর্বল করতে এসেছিস। এরা গুন্ডা , তাই গুন্ডা দমন আইন কার্যকর হবে।

 

শুক্রবার ধর্মতলায় ছাত্র যুবদের আন্দোলনে ধুন্মুধার পরিস্থিতি এবং সাংবাদিকদের হেনস্থা নিয়ে বিধানসভায় কড়া বিবৃতি দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। এই ঘটনায় ৭টি অভিযোগ দায়ের হয়েছে থানায়। হেয়ার স্ট্রিট থানায় একটি স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু হয়েছে। এছাড়া, সাংবাদিক নিগ্রহের ঘটনায় ৫টি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।