বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Ritabrata Banerjee) স্বীকৃতি দেওয়ার স্পিকারের (Speaker) সিদ্ধান্তকে অস্থায়ী বলে জানিয়ে দিল কলকাতা হাই কোর্টের (Calcutta High Court) ডিভিশন বেঞ্চ। আগামী দুমাসের মধ্যে সমস্ত অভিযোগের নিষ্পত্তি হবে। মঙ্গলবার, হাই কোর্টের রায়ের পরেই ঋতব্রতকে মোক্ষম খোঁচা দিলেন মমতাপন্থী তৃণমূল (TMC) বিধায়ক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। ঋতব্রতকে ‘ঠিকা বিরোধীদলনেতা’ বলে তীব্র কটাক্ষ করে কুণাল বলেন, উনি সিপিএম থেকে বালুরঘাটের নম্রতা সবার কাছেই অস্থায়ী।
এদিন রায় নিয়ে সরাসরি মন্তব্য করতে চাননি কুণাল। তিনি জানান, রায়ের বিস্তারিত তাঁদের দলের আইনজীবী তথা সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানাবেন। তবে কুণালের কথায়, এই বিরোধী দলনেতা নিয়োগের পদ্ধতি নিয়েই তাঁদের আপত্তি ছিল। এদিন হাই কোর্টের রায়ে স্পষ্ট হয় গেল, ঋতব্রত অস্থায়ী বিরোধী দলনেতা। তীব্র কটাক্ষ করে কুণাল বলেন, উনি ঠিকা বিরোধী দলনেতা। কুণালের মতে, এটা ঋত-শিবিরকে বড়সড় ধাক্কা। এঁদের জন্য বিরোধী দলনেতার পদটি অপমানিত হল।
তীব্র কটাক্ষ করে কুণাল বলেন, ”বিরোধী দলনেতা পদটি অস্থায়ী- এটা কখনও শুনেছেন! আমরা প্রথম থেকেই বলেছি স্পিকার যে পদ্ধতিতে বিরোধী দলনেতা করেছেন সেটা ঠিক নয়। আজ হাই কোর্টে বলে দিল অস্থায়ী বিরোধী দলনেতা। মান সম্মান থাকলে তো ইস্তফা দেওয়া উচিত। তিনি যে স্থায়ী হওয়ার যোগ্য নন, সেটাই বুঝিয়ে দিল আদালত।” স্পিকার বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রতকে পুরো ঘর দিয়েছেন। এখন অস্থায়ী বিরোধী দলনেতাকে কি অর্ধেক ঘর দেবেন? টিপ্পনি বেলেঘাটার বিধায়কের।
সরাসরি ঋতব্রতকে তীব্র নিশানা করে কুণাল বলেন, ”যিনি ওখানে আছেন- চাটন- অস্থায়ীটা ওঁর কাছে নতুন না। সিপিএমেও উনি অস্থায়ী ছিলেন, তৃণমূলেও উনি অস্থায়ী ছিলেন, বালুরঘাটের নম্রতার কাছেও উনি অস্থায়ী ছিলেন।”
















