মহালয়ার পুণ্যলগ্নে তৃণমূলের মুখপত্র 'জাগোবাংলা'-র শারদীয়া উৎসব সংখ্যা প্রকাশ অনুষ্ঠান প্রতিবছরের মতো এবছরও হয়েছে তবে একেবারে আলাদাভাবে। বারবার করে নজরুল মঞ্চে জাগোবাংলার অনুষ্ঠানের আবেদন সত্ত্বেও মেলেনি অনুমতি। অবশেষে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবন চত্বরেই হয়েছে জাগোবাংলার উৎসব সংখ্যা প্রকাশ হয়েছে। তবে এই মুহূর্তে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লিতে। সেখান থেকেই জাগোবাংলার কর্মীদের জন্য শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

ভার্চুয়াল মাধ্যমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান,"মহালয়ার দিন জাগোবাংলা উৎসব সংখ্যায় সশরীরে উপস্থিত থাকতে পারলাম না। তার জন্যে খুবই দুঃখিত। দেবীপক্ষ শুরু। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, এবং কুণাল ঘোষ রয়েছেন এই অনুষ্ঠানে। আমার সঙ্গে দোলা সেন,প্রতিমা মণ্ডল, ডেরেক ও'ব্রায়েন এবং সামিরুল ইসলাম রয়েছেন। আমাদের প্রিজন ভ্যানে করে ২ ঘণ্টা ঘোরানো হয়েছে। এখনও আমরা থানার বাইরে ধর্নায় বসে রয়েছি।"

তৃণমূল সুপ্রিমো আরও জানান,"মা দুর্গা আসছেন। অসুর বধ হোক। মা এসে দানব, অশুভ শক্তিকে শেষ করে, মানবিক শক্তিকে শেষ করুন। বাংলা-সহ গোটা দেশের মানুষ ভালো থাকুক। আজ যে গণতন্ত্র বাঁচানোর আন্দোলন চলছে,বাংলাকে যেভাবে বঞ্চিত করা হয়েছে, এসআইআরে ৯২ লক্ষ নাম বাদ দেওয়া হয়েছে, হকার, বেকাররা কাঁদছে। কত মানুষের চাকরি চলে গিয়েছে। কৃষকরা ভাতা পাচ্ছেন না। এর জন্যে আমি খুবই দুঃখিত। সকলকে শারদীয়ার শুভেচ্ছা জানাই। জাগোবাংলার জয় হোক।"

দিল্লিতে যাওয়ার আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, "নজরুল মঞ্চে প্রতিবার আমরা জাগোবাংলার উৎসব সংখ্যা প্রকাশ করি। এবার অনুমতি দেয়নি। চিঠি লিখে অনুমতি চেয়েছি বারবার। কিন্তু অনুমতি দেওয়া হয়নি। এখানেই উৎসব সংখ্যা প্রকাশ হবে। ট্রাডিশনাল জিনিস আচমকাই বন্ধ করা যায় না।"

এই মূহূর্তে দলনেত্রী ভোট চুরির বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনে যোগ দিয়ে দিল্লিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবি জানিয়েছেন।