দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) গ্রেফতার করে প্রিজন ভ্যানে তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানালেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ (Trinamool MLA Kunal Ghosh)। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেফতারের সিদ্ধান্ত এবং তাঁকে প্রিজন ভ্যানে নিয়ে যাওয়ার ধরন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। কুণালের বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও আইন ভাঙেননি, তাহলে তাঁকে গ্রেফতার করার প্রয়োজন হল কেন? তাঁর মতো একজন বর্ষীয়ান নেত্রীর ক্ষেত্রে আটক করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও বিকল্প গাড়ির ব্যবস্থা রাখা উচিত ছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।
দিল্লিতে @MamataOfficial মমতা ব্যানার্জিকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে এবং অবিলম্বে মুক্তির দাবিতে উত্তর কলকাতায় বিক্ষোভ। https://t.co/d9iRnHUTLe
— Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) October 10, 2026
ঘটনাটি ঘটে দিল্লির সাউথ অ্যাভিনিউয়ে (Delhi's South Avenue)। বাড়ির সামনে বাসস্ট্যান্ডের কাছে শান্তিপূর্ণ অবস্থানে বসেছিলেন বাংলার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেসের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকেই তাঁকে গ্রেফতার করে প্রিজন ভ্যানে তুলে নিয়ে যায় দিল্লি পুলিশ। সেই সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল সাংসদ দোলা সেন, ডেরেক ও’ব্রায়েন, সামিরুল ইসলাম, প্রতিমা মণ্ডল-সহ দলের অন্যান্য নেতারা।
দিল্লিতে প্রিজন ভ্যানে তোলা হল @MamataOfficial মমতা ব্যানার্জিকে। তীব্র বিরোধিতা করছি। যদি আটকের পরিকল্পনা থাকে, তাঁর উচ্চতার নেত্রীকে প্রিজন ভ্যানে তোলা উচিত হয়নি। বিকল্প গাড়ির ব্যবস্থা রাখা উচিত ছিল। তাছাড়া মমতা ব্যানার্জিকে ধরবেই বা কেন? তিনি কোনো আইন ভাঙেননি। দিল্লিতে রাষ্ট্রীয় দমনপীড়ন সীমা ছাড়িয়েছে।
— Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) October 10, 2026
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গ্রেফতারির প্রতিবাদে এবং অবিলম্বে তাঁর মুক্তির দাবিতে উত্তর কলকাতায় বিক্ষোভে নামেন কুণাল ঘোষ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দিল্লি পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় দমনপীড়নের অভিযোগও করেছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, দিল্লিতে রাষ্ট্রীয় দমনপীড়ন সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি এই ঘটনা নিয়ে সরব হয়েছেন মহুয়া মৈত্রও। তিনি বলেন, “ভারতে গণতন্ত্রের মৃত্যু।” মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রিজন ভ্যানে তোলার ঘটনা ঘিরে তৃণমূলের প্রতিবাদ রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।















