পাহাড়ে মধুচন্দ্রিমায় গিয়ে ভয়াবহ বিপদেরব মুখে চোপড়ার দম্পত্তি। সিটংয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনার মুখে পড়লে নববধূ। মধুচন্দ্রিমায় অগ্নিকাণ্ডে ঝলসে গেলেন চোপডা়র বাসিন্দা নিকিতা দাস।
কালিম্পং জেলার সিটংয়ের একটি রিসর্টে বারবিকিউ চলাকালীন আচমকাই আগুনের গোলা ছিটকে আসে মহিলার দিকে। আর তারপরই ঘটে সেই ভয়াবহ ঘটনা। গোটা ঘটনার দৃশ্য ধরা পড়েছে রিসর্টের সিসিটিভি ক্যামেরায়। যা রীতিমতো গা শিউরে উঠবে।ঘটনার সঠিক কারণ অনুসন্ধানে কার্শিয়াং থানার পুলিশ বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে ৷
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া বাজার এলাকার বাসিন্দা সমীর ও নিকিতা মাত্র দুই মাস আগে বিয়ে হয়। বিয়ের পর পাহাড়ে মধুচন্দ্রিমায় যান তারা। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, হোটেলের বারান্দায় বারবিকিউয়ের পাশে বসেছিলেন সমীর ও নিকিতা। তাঁদের উল্টোদিকে বসে থাকা এক ব্যক্তি কিছুক্ষণ পর উঠে দাঁড়ান। এরপর তিনি একটি ক্যান থেকে একটি তরল পদার্থ বারবিকিউয়ের গুনে ঢেলে দেন। এর কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই আগুন আচমকা আগুন দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে। আগুন ধরে যায় নিকিতা গায়ে।
পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে নিকিতাকে বাঁচানোর চেষ্টা করেন তাঁর স্বামী সমীর। তাতে তাঁর হাতেও আগুন লেগে কিছুটা পুড়ে যায়। জানা গিয়েছে, নিকিতার শরীরের সিংহভাগ ঝলসে গিয়েছে এবং তাঁর অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। প্রথমে স্থানীয় স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া যায়। কিন্তু পরিস্থিতি আশঙ্কা জনক হওয়ায় শিলিগুড়ির সেবক রোডের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি।
ঘটনার বিবরণ জানিয়ে কার্শিয়াং থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন সমীর দাস। তিনি ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। ঘটনার পর হোম স্টে র থেকে কোনও সাহায্য পাননি বলে সমীর অভিযোগ করেছেন। পাহাড়ে পর্যটনের মরশুমে হোম-স্টে ও রিসোর্টগুলিতে ক্যাম্পফায়ার বা বারবিকিউ অত্যন্ত জনপ্রিয়। কিন্তু এই দুর্ঘটনার পর হোম-স্টেগুলির অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ও জরুরি চিকিৎসা সুবিধা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন চিহ্ন দাঁড়িয়ে গিয়েছে ৷
















