কড়া আপত্তি-সহ রাত পৌনে বারোটায় জাতীয় নির্বাচন কমিশনে তিনটি বিকল্প নাম ও প্রতীক জমা দিয়েছে মমতাপন্থী তৃণমূল, ইমেলে জবাব দেওয়া হয়েছে কমিশনকে।
সূত্রের খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কড়া আপত্তি রয়েছে যেভাবে কমিশন নির্দেশ দিয়েছে তা নিয়ে। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মতোই আপাতত বিকল্প তিনটি প্রতীক বাছাই করা হলেও আগামী দিনে এই রায়ের বিরুদ্ধে আদালতে যেতে পারে মমতা পন্থী তৃণমূল। বৃহস্পতিবার গভীর রাতেই কমিশনের নির্দেশ মতোই তিনটি প্রতীক বাছাই করে জমা দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
তবে কোন কোন প্রতীক বাছা হয়েছে সেই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত সরকারিভাবে কিছু জানা যায়নি। নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত প্রতীক গুলির মধ্যে থেকেই তিনটি প্রতীক বেছে নেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে মমতা পন্থী তৃণমূলের প্রতীক হিসাবে আছে ব্যাট এবং ফুটবল খেলোয়াড়। পাশাপাশি নতুন দলের নামও দিতে হবে। কমিশনের নির্দেশ মতোই বেশ বৃহস্পতিবার গভীর রাতে গোটা প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করে কমিশনকে ইমেলের মারফত তা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
সামনে রাজ্যে দুই কেন্দ্রে বিধানসভা উপনির্বাচন তাই প্রতীক পাঠাতে দেরি করেনি মমতা শিবির। কিন্তু আপাততভাবে নির্বাচনের জন্য অস্থায়ীভাবে প্রতীক পাঠালেও কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আগামী দিনে আইনি লড়াই পথে হাঁটতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এমনই সূত্রের খবর।
পাশাপাশি শুক্রবার সকালে জুমে মিটিং করেন ঋতব্রত শিবিরের নেতারাও। তারাও তিনটি প্রতীক বেছে এবং দলের নামটি করে ১১ টার মধ্যে পাঠিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশনের দফতরে। সূত্রের খবর দলের নাম হিসাবে জাতীয়তাবাদী তৃণমূল কংগ্রেস, গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস, ওয়েস্টবেঙ্গল তৃণমূল কংগ্রেস। যদিও তৃতীয় নামটি একেবারেই পছন্দ নয় ঋতব্রত শিবিরের নেতাদের। প্রতীক হিসাবে আছে খাম, বোর্ড।
বৃহস্পতিবার জাতীয় নির্বাচন কমিশন অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীক ফ্রিজ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছে। মমতা শিবির বা ঋতব্রত শিবির কেউই আগামী উপনির্বাচনে ঘাস ফুলের প্রতীক ব্যবহার করতে পারবেন না। এই নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। তৃণমূলের দুই শিবির একে অপরকে এই ইস্যুতে আক্রমণ করেছে। কটাক্ষ করেছেন শমীক ভট্টাচার্য, দিলীপ ঘোষরাও।
কমিশন জানিয়েছে, রাজ্যে দুই আসনে উপনির্বাচনের নির্ধারিত সময়সূচির মধ্যে এই দ্বন্দ্বের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি সম্ভব নয়। কিন্তু প্রতীক ও দলের নাম ব্যবহার নিয়ে অবিলম্বে সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি ছিল। সেই কারণেই অন্তর্বর্তী নির্দেশ জারি করা হয়েছে।
















