সল্টলেকে নতুন ট্রাফিক কন্ট্রোল রুমের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নতুন কন্ট্রোল রুমে বসেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের ট্রাফিক অবস্থা খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সরকারের মুখ্য সচিব মনোজ অগারওয়াল।
রাজ্যে যে কোনও প্রান্তে ট্রাফিক সংক্রান্ত অভিযোগের জন্য টোল ফ্রি নম্বর চালু করা হল। ১৮০০৩৪৫৮৯২২ এই টোল ফ্রি নম্বরে ট্রাফিক সংক্রান্ত বিষয়ে অভিযোগ জানাতে পারবেন সাধারণ মানুষ। পাশাপাশি হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর চালু হবে।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পুজোর আগেই ডিএমদের বলা হয়েছে, সব জাতীয় সড়ক এবং রাজ্য সড়ক সংস্কার করা হবে।সার্ভিসরোড, চিনার পার্কে বেশ কিছু জায়গায় রাস্তার অবস্থা খারাপ ফলে যনযট হচ্ছে কারণ সেখানে সংস্কার হচ্ছে। বর্ষা দীর্ঘ সময় ধরে হচ্ছে এবার। ফলে আমরা দ্রুত কাজ করছি। পানাগড়সহ কিছু জায়গায় আমরা লক্ষ্য করেছি সকালে কোনও ট্রাফিক থাকে না। রাতে ৯টার পর ইচ্ছাকৃতভাবে যনযট সৃষ্টি করা হচ্ছে সেগুলি খতিয়ে দেখা হবে। আগের সরকার পুলিশকে ডিএ না দেওয়ায় নীচু তোলায় টাকা তোলা হল। আমরা ক্ষমতায় এসে তোলাবাজি বন্ধ করে দিয়েছি। যদি কারোরও কোনও অভিযোগ থাকে আমাদের জানাতে পারেন আমরা দ্রুত অ্যাকশন নেব।
পাহাড়ের যানযচ নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কালিম্পং ও দার্জিলিংয়ের পরিস্থিতি দেখা হয়েছে।সেখানে যেভাবে স্কুলে যাচ্ছেন ছাত্র ছাত্রীরা তা দেখে খারাপ লাগছে। পাহাড়ে পার্কিংয়ের জন্য আলাদা জায়গা পাওয়া যায় না। আমরা দুটি জেলার ডিএম ও এসপিদের বলেছি আলাদা জায়গা দেখতে পার্কিংয়ের জন্য।
একইসঙ্গে, জেলাশাসককে জিটিএকে সঙ্গে নিয়ে বর্ডার রোড এক্সটেন্ডের নিয়ম অনুযায়ী কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। আগামী ৭ অক্টোবর পাহাড় সফরে যাওয়ার কথা শুভেন্দু অধিকারীর। সেই সফরে এই সমস্যাগুলি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হলেও হতে পারে।
এর পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর বালুরঘাটের মতো কলাকাতাতেও নেশার সামগ্রী ধংস্ব হবে। ২ লক্ষ সিরাপের বোতল ধংস্ব করা হবে। মহালয়ার দিনে ব্রিগেডে পুলিশের গাড়ি ও অ্যাম্বুলেন্সের উদ্বোধন হবে।
















