কমিশনের ডাকে তৃণমূলের দুপক্ষই গিয়েছিল জাতীয় নির্বাচন কমিশনে। কিন্তু প্রতীক ও নাম নিয়ে নিষ্পত্তি হল না বৃহস্পতিবারও। একঘণ্টার ব্যবধানে বৈঠক করে বেরিয়ে দুপক্ষই দাবি করে প্রতীক তাদেরই থাকবে। সূত্রের খবর, শুক্রবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাতে পারে কমিশন (Election Commission)।
কাদের হাতে থাকবে তৃণমূলের নাম ও প্রতীক? এই নিয়ে তরজা অব্যাহত। বারবার দরবার ও চিঠি চালালির পরেও এখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এই পরিস্থিতিতে ৬ অক্টোবর রেজিনগর (Rejinagar) ও নন্দীগ্রাম (Nandigram) বিধানসভায় উপনির্বাচন (Assembly Election)। মমতাপন্থী ও ঋতব্রতপন্থী – দুই শিবিরই তৃণমূল (TMC) হিসেবে প্রর্থী ঘোষণা করে মনোনয়ন জমা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলের দুই শিবিরই নির্বাচন কমিশনে গিয়ে সব নথি জমা দেয়।
প্রথমে বৈঠক করে বেরিয় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্য়ায় (Ritobrata Banerjee) বলেন, “আমাদের বক্তব্য আমরা বলেছি। সব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছি। প্রতীক নিয়ে কী হবে, সেই সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনকে বলেছি। আমরা আশাবাদী যে রায় আমাদের পক্ষেই যাবে। কমিশন কী করবে সেটা বলেনি। আমরা তো আর কমিশনকে বলতে পারি না কিছু। ভরসা রাখতে হবে।” তবে, কমিশনের ভিতরে কী কথা হল-সেই বিষয়ে কোনও উত্তর দিতে চাননি ঋতব্রত।
এর পরে বৈঠক করেন মমতাপন্থী তৃণমূল। বেরিয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্য়ায় (Kalyan Banerjee) বলেন, “দেড় ঘন্টা বৈঠক হয়েছে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে। সেখানে আমরা যে বিষয়গুলি তুলে ধরেছি, যাঁরা দাবি জানিয়েছেন ২০২৫-এ সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের CWC-শেষ হয়ে গিয়েছে- সেটা ভুল। আমাদের ৫ বছরের নিয়ম রয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে ৫ বছর অন্তর ভোট করার জন্য। আমরা যে রিপোর্ট দিয়েছি ৩১ জানুয়ারি ২০২৭ -এর মধ্যে নির্বাচন হবে।” একই সঙ্গে ঋত-তৃণমূলের হাতে সাংসদ নেই একজনও। তবে, এদিন কোনও সিদ্ধান্ত জানায়নি কমিশন। সিজেপি-র আন্দোলনের পরে সাবধানী তারা। কোনও পক্ষকেই বাড়তি সুবিধা দেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক কমিশন শুক্রবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাতে পারে।
















