নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগে উত্তাল বারুইপুর। নির্যাতিতার দেহ আটকে রেখে বিক্ষোভ উত্তেজিত জনতার।  ভাঙচুর চলেছে পুলিশের গাড়িতেও। পুলিশকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছে ইট। আক্রমণের শিকার সাংবাদিকরাও। এই ঘটনায় স্থানীয় এক অভিযুক্তকে পিটিয়ে মারা হয় বলেও অভিযোগ। 

দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর থানার অন্তর্গত সূর্যহাট এলাকায় এক নাবালিকার দেহ উদ্ধার হয় রবিবার সকালে। সেই নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে বলে দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল সূর্যপুর হাট এলাকা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে। 

নাবালিকার দেহ আটকে রেখে স্থানীয়রা জয়নগর-কুলপি রোড অবরোধ করেন। শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখায় নামখানা লাইনে সূর্যপুর স্টেশনে অবরোধ করেন। এর জেরে নামখানা লাইনে ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয়েছে। 

১১ বছরের নাবালিকা শনিবার বিকেলে খাবার কেনার জন্য বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল। দীর্ঘক্ষণ কেটে গেলেও সে বাড়ি ফেরেনি। রাতভর আত্মীয়স্বজন ও আশেপাশের এলাকায় খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনও হদিস পায়নি। পরিবারের অভিযোগ, এলাকারই চার যুবক ওই নাবালিকাকে তুলে নিয়ে গিয়েছিল। রবিবার সকালে বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে একটি পুকুরে ওই নাবালিকার দেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। এই খবর ছড়াতেই এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, নাবালিকাকে ধর্ষণ করার পর তথ্য প্রমাণ লোপাট করতে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমানও তাই, নাবালিকাকে শ্বাসরোধ করেই খুন করা হয়েছে।

গ্রামবাসীরা অভিযোগ করেন, পুলিশ তদন্তে গাফিলতি করছে। পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একজনকে আটক করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।