মৃত তৃণমূলকর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে রবিবার হামলার মুখে পড়েন তৃণমূলনেত্রী তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। এই ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার রাজ্য জুড়ে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ মিছিলের ডাক দেয় তৃণমূলের কর্মী-সমার্থকরা। তবে শান্তিপূর্ণ মিছিলে নৃশংসভাবে লাঠিচার্জ করেছে। আটক করা হয়েছে অনেক কর্মী- সমার্থককে। শ্যামবাজার, রাজাবাজার, হাজরা, গড়িয়াহাট মোড়-সহ বিভিন্ন জায়গায় মিছিল বের হয়। শ্যামবাজারের মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন যুব নেতা মৃত্যুঞ্জয় পাল। হাজরায় মিছিলের দায়িত্বে ছিলেন তৃণমূলের আইটি সেলের মুখপাত্র উপাসনা চৌধুরী।
আরও পড়ুন: শান্তিনিকেতনে তল্লাশি চালিয়ে আটক টুলু-ঘনিষ্ঠ ৩
ঘটনার সূত্রপাত রবিবার। পুলিশ হেফাজতে মৃত তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে হালিশহরে গিয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে ছিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, দোলা সেন-সহ দলের একাধিক নেতা। অভিযোগ, সেখানে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মমতার গাড়ি লক্ষ্য করে কাদা ও জুতো ছোড়া হয়। মিছিলে দাবি তোলা হয়, আসল অপরাধী কারা তাঁদের খুঁজে বার করে আসল দোষীদের শাস্তি দেওয়া।
তৃণমূলের অভিযোগ, এই হামলা পূর্বপরিকল্পিত। ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার মিছিলের ডাক দেওয়া হলেও বিভিন্ন থানার তরফে অনুমতি দেওয়া হয়নি বলেও দলের দাবি। এদিন মিছিলে প্রবল ধস্তাধস্তি ও সংঘর্ষ বাধে। এর মধ্যেই শ্যামবাজার, হাজরা-সহ একাধিক জায়গায় মিছিল থেকে মৃত্যুঞ্জয় পাল, উপাসনা চৌধুরী-সহ বেশ কয়েক জন তৃণমূল কর্মী-সমর্থককে পুলিশ আটক করেছে। হাজরা থেকে ৩০ জনকে আটক করে কালীঘাট থানায় নিয়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়। ফলে মমতার উপর হামলার প্রতিবাদ ঘিরে সোমবার সকাল থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে চড়ছে উত্তাপ।
















