নিত্যযাত্রীদের জন্য দুঃসংবাদ। দুর্গাপুজো ( Durga Pujo) মিটলেই বাড়তে চলেছে সরকারি ও বেসরকারি বাসের ভাড়া (Bus Fare)। বাসে উঠলেই দিতে হবে দ্বিগুণ খরচ। বেসরকারি বাসমালিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিং। তারপরেই সামনে আসে ভাড়া বৃদ্ধির খবর। মানুষের উপার্জন বাড়ছে না, এদিকে খরচ বাড়ছে দ্বিগুণ। পালাবদলের পর রাজ্যের বিজেপি সরকার গরিব ও মধ্যবিত্তদের একাধিক ইস্যুতে চাপে ফেলেই চলেছে। তাদের একটাই লক্ষ্য গরিব, মধ্যবিত্ত দেখলই শোষণ করো, উপার্জনে কোপ মারো। গত পাঁচ মাসে তো কম অত্যাচার হল না! অন্যদিকে, বড়লোকদের কোলে বসিয়ে দোল দিচ্ছে ডবল ইঞ্জিন সরকার। দেশ জুড়ে একই চিত্র।
আরও পড়ুন: দু’দিন পর খুলল দমদমের সার কারখানা, অশান্তির অভিযোগে গ্রেফতার ২
সোমবার বেসরকারি বাসমালিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিং ( Arjun Singh)। বৈঠকে যা আলোচনা হয় তার নির্যাস হল পুজোর আগে এ বিষয়ে কিছু হবে না। তবে পুজোর পর বেসরকারি বাসের ভাড়াবৃদ্ধি নিয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে। জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন বাসের ভাড়া বৃদ্ধি করেননি সাধারণ মানুষের খাতিরে। ২০১৮ সাল থেকে একই ভাড়ায় চলছে বাসগুলি। খুশি ছিল আম জনতা। মাসের শেষে দুটো টাকা বাঁচছিল। বিজেপি আসার পর অচ্ছে দিন দূরবিন দিয়ে খুঁজলেও মিলছে না।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে শেষবার বাসের ভাড়া সরকারিভাবে বেড়েছিল। বাসে চড়লেই সর্বনিম্ন ভাড়া দিতে হত ৭ টাকা। তবে কোভিডের সময় থেকে সেই ভাড়া বেড়ে ১০ টাকা করা হয়। দীর্ঘদিন বাস পরিষেবা বন্ধ থাকার কারণে বাস মালিকরা প্রচুর ক্ষতির সম্মুখীন হন। ফলে নূন্যতম ভাড়া ১০ টাকা করা হয়। তবে তার কোনও সরকারি বিজ্ঞপ্তি নেই। বাস ভাড়া আরও বাড়লে নূন্যতম কত হবে তা এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি। ভাড়া যতই বাড়ুক সমস্যায় পড়বেন নিত্যবাসযাত্রীরা। এও জানা যাচ্ছে, সমস্ত টোলপ্লাজায় একটা নির্দিষ্ট রেট বেঁধে দিতে চাইছে রাজ্য। আয় বাড়ুক না বাড়ুক, দেশ ও রাজ্যের মানুষগুলি খেতে পাক না পাক, ব্যয়ের রাস্তা যাতে পরিষ্কার থাকে সেই ব্যবস্থাই করতে চাইছে স্বৈরাচারী বিজেপি সরকার।
















