শালবনি (Salboni) জমি মামলার তদন্তে ফের ময়দানে সিআইডি (CID)। মামলায় ধৃত সুমিত রায়কে (Sumit Roy) সঙ্গে নিয়ে মঙ্গলবার তাঁর কালীঘাটের (Kalighat) ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালালেন তদন্তকারীরা। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) বাড়ির লাগোয়া ওই ফ্ল্যাটে প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে চলে তল্লাশি। তবে সেখানে কী খোঁজা হয়েছে বা তল্লাশিতে কোনও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে কি না, সে বিষয়ে এখনও তদন্তকারীদের তরফে কিছু জানানো হয়নি।

আরও পড়ুন: বারুইপুর এনকাউন্টার মামলায় সিসিটিভি ‘সুরক্ষিত’ রাখার নির্দেশ হাই কোর্টের

শালবনি জমি কেলেঙ্কারি মামলায় গ্রেফতারির পর আদালতের নির্দেশে সিআইডি হেফাজতে রয়েছেন সুমিত। তদন্তের সূত্র ধরেই মঙ্গলবার তাঁকে কালীঘাটে নিয়ে যাওয়া হয়। বেলা ১টার কিছু পরে সিআইডির দল তাঁকে নিয়ে ওই ফ্ল্যাটে পৌঁছয়। দীর্ঘ সময় ধরে তল্লাশি চালানোর ঘটনায় স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, মামলার তদন্তে নতুন কোনও সূত্র হাতে এসেছে কি না।

এই মামলায় সোমবার আরও তিন জনকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি। শালবনি থানার গাইঘাটা এবং মেটাল গ্রাম থেকে অমিত ঘোষ, নিত্যানন্দ রায় এবং লক্ষ্মীকান্ত ভুঁইয়াকে গ্রেফতার করা হয়। মঙ্গলবার তাঁদের মেদিনীপুর আদালতে পেশ করা হয়।

আরও পড়ুন: দেশের মুখরক্ষা, ক্যাবে ফেলে যাওয়া টাকাভর্তি ব্যাগ ফিরে পেলেন ব্রিকসের বিদেশি অতিথি

তদন্তকারীদের অভিযোগ, ৫০ একরের বেশি সরকারি জমির জাল নথি তৈরি করে তা বিক্রির সঙ্গে একটি চক্র জড়িত। শেখ ইমরানের অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের হওয়া এফআইআরে অমিতের নামও রয়েছে। স্থানীয় সূত্রে তাঁকে প্রাক্তন বিধায়ক সুজয় হাজরার ঘনিষ্ঠ বলে দাবি করা হলেও, সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অমিত। তাঁর বক্তব্য, জমি সংক্রান্ত এই অভিযোগের সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ নেই।

সিআইডির দাবি, সুমিতের ভূমিকা সম্পর্কে অমিতের কাছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাকতে পারে। সেই কারণেই তাঁকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন বলে আদালতে জানানো হয়। আট দিনের হেফাজত চাইলেও আদালত চার দিনের সিআইডি হেফাজত মঞ্জুর করেছে। আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর সুমিতের সঙ্গে অমিত, নিত্যানন্দ ও লক্ষ্মীকান্তকেও ফের আদালতে হাজির করা হবে।