রাজ্য প্রশাসনের কাজকর্মে গতি বাড়াতে তৎপরতা শুরু করল নতুন মন্ত্রিসভা। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত অষ্টম মন্ত্রিসভা বৈঠকে শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান, পরিবেশ সংরক্ষণ, আইনশৃঙ্খলা এবং খেলাধুলা সংক্রান্ত একাধিক নীতিগত প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
শিল্প থেকে ক্রীড়া! প্রশাসনে গতি আনতে একগুচ্ছ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত মন্ত্রিসভার
Sponsored

রাজ্যের শিল্প ও কর্মসংস্থানকে বিশেষ অগ্রাধিকার দিয়ে বিভিন্ন শিল্প পার্কে জমি বরাদ্দের প্রস্তাব মঞ্জুর করা হয়েছে। এর মাধ্যমে রাজ্যে প্রায় ৬৮ হাজার নতুন কাজের সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে সরকারি সূত্রের খবর। পাশাপাশি চা-শিল্প ও পর্যটনের বিকাশে নীতিগত কিছু রদবদল আনা হচ্ছে। আলিপুরদুয়ারের সংকোশ চা-বাগানের নদীভাঙনে অব্যবহৃত ১১৮.৪২ একর জমি সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পাশাপাশি জলপাইগুড়ির চামুর্চি চা-বাগানের একাংশ সীমান্ত পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য কেন্দ্রীয় সংস্থার হাতে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। চা পর্যটন নীতিতে সংশোধন এনে চা-বাগানের নির্দিষ্ট পরিমাণ জমি পর্যটন ও আনুষঙ্গিক বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে ব্যবহারের সুযোগ রাখা হচ্ছে।
পরিবেশ সুরক্ষায় এশীয় উন্নয়ন ব্যাঙ্কের (এডিবি) আর্থিক সহায়তায় সমন্বিত কৃষি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও কার্বন ক্রেডিট সংক্রান্ত একটি বৃহৎ প্রকল্প গ্রহণের প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে। বিদ্যুৎ পরিকাঠামো শক্তিশালী করতে উত্তর দিনাজপুরে নতুন সাবস্টেশন এবং ঝাড়গ্রামে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য জমি দীর্ঘমেয়াদি বন্দোবস্ত দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ ছাড়া কলকাতা বিমানবন্দর সংলগ্ন ভিআইপি রোডে আন্ডারপাস নির্মাণের বিষয়েও প্রশাসনিক সম্মতি দেওয়া হয়েছে।
খেলাধুলার ক্ষেত্রে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে পদকজয়ী খেলোয়াড়দের জন্য আর্থিক পুরস্কারের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য ভাবে বৃদ্ধি করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। অলিম্পিক, এশিয়ান গেমস, কমনওয়েলথ ও জাতীয় গেমসের পদকজয়ীদের জন্য পৃথক আর্থিক কাঠামোর পাশাপাশি রাজ্যের সফল অবসরপ্রাপ্ত ক্রীড়াবিদদের মাসিক আর্থিক সম্মানিক দেওয়ার পরিকল্পনাও গ্রহণ করা হয়েছে। সার্বিক ভাবে প্রশাসনিক সংস্কারের পাশাপাশি শিল্প, কর্মসংস্থান ও ক্রীড়া পরিকাঠামোকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য হয়ে উঠেছে।
Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored













