মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) উপর ক্ষোভ উগরে দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee)। তিনি বলেন, মাত্র দুটি বিধানসভার উপনির্বাচন (By-Poll) নিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যা করছেন তার নজির বোধ হয় গোটা দেশে নেই। যা দেশের গণতন্ত্রের জন্য লজ্জার। ভয় দেখিয়ে, যেভাবে প্রার্থীদের নাম প্রত্যাহার করতে বাধ্য করছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী, তা স্বৈরাচার। এরকমটা বোধহয় কোনও রাজ্যে হয়নি। ১১০-২০ কিলোমিটার দূর থেকে নন্দীগ্রামে (Nandigram) আমাদের দলের মনোনীত প্রার্থীকে যেভাবে তুলে নিয়ে এসে মুখ্যমন্ত্রীর চেম্বারে শুভেন্দু অধিকারীর সামনে মনোনয়ন প্রত্যাহারের কথা বলানো হচ্ছে, এর চাইতে দুঃখজনক ঘটনা ভারতবর্ষে ঘটতে পারে না। যেখানে মুখ্যমন্ত্রী নিজেই চাপ দিচ্ছেন প্রার্থীর নাম প্রত্যাহারের জন্য!
আরও পড়ুন: মহিলাদের জন্য বড় সুখবর, অক্টোবর থেকেই বিনামূল্যে বাসযাত্রা
শ্রীরামপুরের সাংসদ বলেন, রেজিনগরেও একই রকমভাবে আমাদের প্রার্থীকে চাপ দেওয়া হয়েছিল। সারা রাত ধরে ওঁদের ওপর পুলিশ দিয়ে নানা রকমভাবে চাপ দেওয়া, ভয় দেখানো হয়েছিল। তার পর বিষয়টিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হস্তক্ষেপ করেন। শেষপর্যন্ত রবিউল আলম চৌধুরী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেননি।
কল্যাণ বলেন, বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি বুঝে গেছেন, বাংলার মানুষ কী বলছে। মানুষ যে ওঁদের ওপর বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছে সেটা শমীক ভট্টাচার্য বুঝে গেছেন। তিনি বুঝে গেছেন বিজেপির আদি কর্মীদের শুভেন্দু অধিকারীদের উপর থেকে বিশ্বাস-ভরসা হারিয়ে গেছে। এই বিজেপি সরকারের চলে যাওয়ার বাজনা কিন্তু শমীক শুনে ফেলেছেন। শমীক বুদ্ধিমান মানুষ, ওর পাণ্ডিত্য আছে, দীর্ঘদিনের বিজেপি করা লোক। উনি বুঝে গেছেন, বিজেপি সরকারের যাওয়ার বাজনা বাংলার জনগণ বাজিয়ে দিয়েছে। বিরোধী-শূন্য কাম্য নয়— এসব বলে শমীক ভট্টাচার্য প্রলেপ দিচ্ছেন ঠিকই কিন্তু শুভেন্দু অধিকারী যে বিজেপি সরকারকে একাই তুলে দিচ্ছে, সেটা বুঝে গেছেন।
















