রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা-কর্মীদের নিশানা করে পুলিশি হেনস্থা ও ভয় দেখানোর অভিযোগে কড়া অবস্থান নিল রাজ্য মানবাধিকার কমিশন। তৃণমূলের তরফে জমা দেওয়া একগুচ্ছ অভিযোগের ভিত্তিতে প্রতিটি ঘটনার ক্ষেত্রে থানা ধরে ধরে তদন্তের নির্দেশ দিল কমিশন। একই সঙ্গে মানবাধিকার লঙ্ঘনের মতো যে কোনও ঘটনায় দ্রুত পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মানবাধিকার লঙ্ঘন বরদাস্ত নয়! তৃণমূলের অভিযোগের পরই পুলিশকে কড়া নির্দেশ কমিশনের
Sponsored

বুধবার দুপুরে বিধাননগরের পূর্ত ভবনে রাজ্য মানবাধিকার কমিশনের দফতরে যায় তৃণমূলের চার সদস্যের এক প্রতিনিধিদল। দলে ছিলেন বিধায়ক কুণাল ঘোষ, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়, শুভাশিস চক্রবর্তী এবং রত্না শূর। কমিশনের চেয়ারম্যান তথা মেঘালয় হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায়ের কাছে তাঁরা বিস্তারিত অভিযোগ জানান। দীর্ঘ বক্তব্য শোনার পর রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে প্রয়োজনীয় অন্তর্বর্তী নির্দেশ দেন চেয়ারম্যান। রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের কাছেও কিছু নির্দেশ পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছে কমিশন।
কমিশন থেকে বেরিয়ে তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ অভিযোগ করেন, গত কয়েক মাস ধরে দলীয় কর্মীদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো, থানায় ডেকে হুমকি দেওয়া, পাঁচ-ছয় বছর পুরনো মামলায় নাম জুড়ে দিয়ে হয়রানি করা এবং প্রকাশ্যে শারীরিক নির্যাতনের মতো ঘটনা ঘটছে। কর্মীদের বাড়িছাড়া করার পাশাপাশি গ্রেফতারের পর প্রকাশ্যে কোমরে দড়ি বেঁধে ঘোরানোর মতো গুরুতর অভিযোগও তোলেন তিনি। কুণাল আরও দাবি করেন, বিগত তিন মাসে রাজ্যে দু’টি পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে, অথচ প্রশাসন নীরব। এই সমস্ত ক্ষেত্রে মৌলিক মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে দাবি করে অবিলম্বে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানায় প্রতিনিধিদল।
Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored













