“কেন্দ্রীয় অসামরিক পরিবহণ মন্ত্রীর সঙ্গে কিছু আলোচনা করেছি। এতে কোচবিহার থাকছে”। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম কোচবিহারে গিয়ে একথা জানালেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। প্রতিশ্রুতি দিলেন, তাঁর শপথ গ্রহণের এক বছরের মধ্যেই কোচবিহারবাসীর সব স্বপ্নপূরণে তিনি পদক্ষেপ করবেন।
মঙ্গলবার, কোচবিহারের (Coochbehar) গিয়ে মদনমোহন মন্দিরে পুজো দেন মুখ্যমন্ত্রী। সঙ্গে ছিলেন নিশীথ প্রামাণিক (Nisith Pramanik)। পুজো দেওয়ার পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু বলেন, “আমি ৯ মে শপথ নিয়েছি। আমায় ৯ মে ২০২৭ সাল পর্যন্ত অর্থাৎ ১ বছর সময় দিতে হবে। এই এক বছরের মধ্যেই কোচবিহারবাসীর স্বপ্নপূরণে সমস্ত পদক্ষেপ করা হবে। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের যে কাজ হচ্ছে দেখবেন তাতে অধিকাংশই আমরা কোচবিহার জেলার জন্য করেছি। এর বাইরেও কেন্দ্রীয় প্রকল্পের কাজ আমরা এই জেলার জন্য করছি।” ইতিমধ্যেই জমি চিহ্নিতকরণ, ডিপিআর প্রস্তুত ও অর্থ বরাদ্দের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। এমনকী উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের প্রকাশিত প্রথম দরপত্রেও সিংহভাগ কাজ কোচবিহার জেলার জন্যই নির্দিষ্ট রাখা হয়েছে।
সেখানেই বিমানবন্দর নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে মুখ্যমন্ত্রী জানান, আগামী ৮ তারিখে কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী রামমোহন নাইডুর সঙ্গে ‘উড়ান’ (UDAN) প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে চলেছে, সেখানে কোচবিহার বিমানবন্দরকে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।
জেলাশাসকের তৈরি প্রাথমিক ২ কোটি টাকার বিস্তৃত প্রকল্প রিপোর্ট (DPR)-এর বাজেট বাড়িয়ে আরও বড় মাপের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী।
এই জেলার পর্যটন নিয়ে বলতে শুভেন্দু জানান, “উত্তরবঙ্গ তরাই-ডুয়ার্সের একশৃঙ্গ গণ্ডার জগৎ বিখ্যাত ব্যাপার। তাই এখানে পর্যটককে আনতে হবে। এখানে দু’ধরনের পর্যটককে আনতে হবে। একটা প্রকৃতিকে দেখার জন্য পর্যটক আসবে। আরেকটা ধর্মীয় স্থান দেখতে আসবেন। এর জন্য রেল-বিমানবন্দর-বাস ও রাত্রিবাসের জন্য ভালো-ভালো গেস্ট হাউজ (Guest House) বানাতে হবে। এই কাজ করলেই দেখবেন ভাল পর্যটন কেন্দ্র হয়ে উঠবে কোচবিহার।”
















