পার্টি অফিসের দরজা-জানলা ভাঙা, ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে আসবাব, কোথাও আবার আগুনের পুড়েছে আসবাব। রাতের অন্ধকারে সিপিএমের (CPM) একাধিক পার্টি অফিসে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ ঘিরে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে দত্তপুকুরে (Duttapukur)। শনিবার সকালে উত্তর ২৪ পরগনায় দত্তপুকুরের একাধিক জায়গায় এমন ছবিই সামনে এসেছে। হামলার নেপথ্যে বিজেপির (BJP) হাত রয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে সিপিএম। যদিও সেই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে গেরুয়া শিবির।

আরও পড়ুন: বিজেপির গা জোয়ারি! দুই সংসদীয় কমিটির শীর্ষপদ থেকে সরানো হল মমতা তৃণমূলের সাংসদদের

সিপিএমের দাবি, দত্তপুকুরে মোট পাঁচটি দলীয় কার্যালয়ে হামলা চালানো হয়েছে। কোথাও আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়েছে, কোথাও আবার পার্টি অফিসে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। দেওয়ালে থাকা বাম নেতাদের ছবিও নষ্ট করা হয়েছে বলে অভিযোগ। হামলাকারীরা রড ও হাতুড়ি নিয়ে এসেছিল বলেও দাবি বামেদের। ঘটনার পর সিপিএমের তরফে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। দলের জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য আহমেদ আলি খানের অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে বিজেপির লোকজনই এই হামলা চালিয়েছে।

আরও পড়ুন: রেজিনগরে বুথ দখলের চেষ্টা! বিজেপির চক্রান্ত ফাঁস করলেন কুণাল

তবে সিপিএমের অভিযোগ মানতে একেবারেই নারাজ বিজেপি। বিজেপি নেতা অরিন্দম দে-র দাবি, “এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপির কোনও যোগ নেই। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই আমাদের দলের নাম জড়ানো হচ্ছে।” শুধু দত্তপুকুর নয়, একই রাতে হাবড়াতেও বামেদের কর্মসূচি ঘিরে উত্তেজনার অভিযোগ উঠেছে। হাবড়া ১ নম্বর রেলগেটের কাছে এসএফআইয়ের পথসভায় বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে ধস্তাধস্তির অভিযোগ সামনে আসে। বিজেপির বিরুদ্ধে কর্মীদের মারধরের অভিযোগ তুলেছে এসএফআই। সেই অভিযোগও অস্বীকার করেছে বিজেপি। ঘটনায় হাবড়া থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। ফলে পরপর ঘটনায় উত্তর ২৪ পরগনায় বাম-বিজেপি রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও তীব্র হয়েছে।