এবছরের খরিফ মরশুমে (Kharif Season) রাজ্যে চাষের পরিমাণ সামান্য কমেছে। কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ বার পশ্চিমবঙ্গে (West Bengal) মোট ৪৮ লক্ষ ২৫ হাজার হেক্টর জমিতে খরিফ চাষ হয়েছে। গত বছরের তুলনায় যা ০.২৭ শতাংশ কম। তবে রাজ্যে ধান চাষের ছবি তুলনামূলক ভাবে ভালো। স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা বেশি জমিতে ধানের চাষ হয়েছে। যদিও গোটা দেশের ছবিটা ভিন্ন। এ বার দেশে প্রায় ৪ কোটি ৩০ লক্ষ হেক্টর জমিতে ধান চাষ হয়েছে। গত বছর এই পরিমাণ ছিল প্রায় ৪ কোটি ৪৭ লক্ষ হেক্টর।

আরও পড়ুন: INDIA-র মিছিল যোগ দিচ্ছে না আপ-ডিএমকে! কংগ্রেসই কি দূরত্বের কারণ

কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, একাধিক রাজ্যে বৃষ্টির ঘাটতির প্রভাব পড়েছে ধান চাষে। অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা, কর্নাটক, মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু, পঞ্জাব ও হরিয়ানায় ধান চাষের জমি কমেছে। অন্য দিকে, ডাল, তৈলবীজ, মোটা দানাশস্য এবং পাটের চাষ বেড়েছে। তবে বৃষ্টির ঘাটতির জেরে উৎপাদন কিছুটা কমার আশঙ্কাও রয়েছে।

আরও পড়ুন: নিয়মরক্ষার ম্যাচে অনবদ্য রাহুল-রোহিত, লজ্জার নজির কোহলির

এরই মধ্যে নজর আসন্ন রবি মরশুমে। আবহাওয়া সংস্থাগুলির পূর্বাভাস অনুযায়ী, এল নিনোর প্রভাবে আগামী কয়েক মাসে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি থাকতে পারে। নভেম্বরে রবিশস্য বোনার সময় গরমের প্রভাব বেশি হলে গম, তৈলবীজ, আলু এবং শীতকালীন সবজির ফলন ধাক্কা খেতে পারে।

কৃষি বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, এই ফসলগুলির ভালো ফলনের জন্য শীতল আবহাওয়া জরুরি। গত বছর জাঁকিয়ে শীত পড়ায় পশ্চিমবঙ্গ-সহ একাধিক রাজ্যে আলুর ফলন ভালো হয়েছিল। এ বার সেই অনুকূল আবহাওয়া পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়েই তৈরি হয়েছে নতুন আশঙ্কা।