আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালের আইসিইউ-তে চিকিৎসাধীন ঋত তৃণমূলের বিধায়ক বায়রন বিশ্বাস। শনিবার দুপুর নাগাদ নিজের বাড়ি থেকেই অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয় তাঁকে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, আগুনে তাঁর শরীরের প্রায় ৩৫ শতাংশ অংশ পুড়ে গিয়েছে। বিধায়কের দু’টি পা হাঁটু পর্যন্ত এবং একটি হাতের কব্জি পর্যন্ত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে খবর।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, ভর্তি করানোর সময়ে তিনি অত্যন্ত উত্তেজিত ও অস্থির ছিলেন। চিকিৎসা চলাকালীন দেওয়া স্যালাইন ও অক্সিজেনের নল হাত দিয়ে খুলে ফেলার পাশাপাশি বেড থেকে উঠে যাওয়ারও চেষ্টা করেন তিনি। পরিস্থিতি সামাল দিতে চিকিৎসকেরা তাঁকে ঘুমের ইঞ্জেকশন দিয়ে পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। শনিবার সকালে ঘর থেকে চিৎকার করার কিছুক্ষণ পরেই ভিতর থেকে গলগল করে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। দরজা ভেঙে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করেন কারখানার কর্মীরা।
ধুলিয়ানের এই বাড়ি থেকেই বিড়ি ব্যবসা চালান বায়রন। প্রাথমিক অনুমান, দাহ্য পদার্থ মজুত থাকায় কোনওভাবে আগুন লাগতে পারে। যদিও নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ থাকতে পারে কিনা, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। কীভাবে আগুন লাগল, প্রকৃত কারণ জানতে বিড়ি কারখানার শ্রমিক ও বাড়ির অন্যান্য সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলে খবর। জঙ্গিপুর পুলিশ জেলার সুপার সুরিন্দর সিং জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্তে ফরেন্সিক সায়েন্স ল্যাবরেটরি (এফএসএল) দলকে ডাকা হয়েছে এবং দমকলের কাছেও প্রাথমিক রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। যদিও গোটা ঘটনায় বিধায়কের পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।















