এখন KYC অনলাইনে হয়। সরকারি কর্মচারীদের ক্ষেত্রেও অনলাইনে ওই পদ্ধতি হচ্ছে। অভিষেকের ক্ষেত্রে কেন কেওয়াইসির জন্য ডেকে পাঠানো হল? মনে হয় ব্যাঙ্ক তাঁর মুখ দেখতে চাইছে! তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ মামলায় HDFC ব্যাঙ্ককে তীব্র ভর্ৎসনা করল কলকাতা হাই কোর্ট। বৃহস্পতিবার, শুনানির পরে বিচারপতি কৃষ্ণ রাও ব্যাঙ্কের আবেদন বিবেচনা করে কেওয়াইসি-র জন্য প্রয়োজনীয় নথি যেমন ছবি, ঠিকানার প্রমাণ, আধার, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ অভিষেকের বাড়ি গিয়েই প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ করবেন। পরবর্তী পর্যালোচনার জন্য আদালত ২৪ অগাস্ট শুনানির দিন ধার্য করেছে।
এখন KYC অনলাইনে হয়। সরকারি কর্মচারীদের ক্ষেত্রেও অনলাইনে ওই পদ্ধতি হচ্ছে। অভিষেকের ক্ষেত্রে কেন কেওয়াইসির জন্য ডেকে পাঠানো হল? মনে হয় ব্যাঙ্ক তাঁর মুখ দেখতে চাইছে! তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ মামলায় HDFC ব্যাঙ্ককে তীব্র ভর্ৎসনা করল কলকাতা হাই কোর্ট। বৃহস্পতিবার, শুনানির পরে বিচারপতি কৃষ্ণ রাও ব্যাঙ্কের আবেদন বিবেচনা করে কেওয়াইসি-র জন্য প্রয়োজনীয় নথি যেমন ছবি, ঠিকানার প্রমাণ, আধার, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ অভিষেকের বাড়ি গিয়েই প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ করবেন। পরবর্তী পর্যালোচনার জন্য আদালত ২৪ অগাস্ট শুনানির দিন ধার্য করেছে।
সোমবার ব্যক্তিগত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার বিরুদ্ধে বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন অভিষেকের আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য। এদিন মামলার শুনানির শুরুতে তিনি আদালতকে জানান, কোনও পূর্ব সতর্কবার্তা বা লিখিত কারণ ছাড়াই তাঁর মক্কেলের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ ও দুটি ক্রেডিট কার্ড ব্লক করা হয়েছে। ব্যাঙ্কের এই পদক্ষেপকে 'হাই-হ্যান্ডেড' বা একতরফা বলে দাবি করে তিনি ব্যাঙ্কের ওপর উপযুক্ত জরিমানা ও খরচ চাপানোর আর্জি জানান অভিষেকের আইনজীবী। একই সঙ্গে তাঁর দাবি, ব্যাঙ্কের কাছে খোঁজ নিলে বলা হচ্ছে কেওয়াইসি করাতে হবে। অথচ কেওয়াইসি ২০২৬ সালের ডিসেম্বর মাসে শেষ হওয়ার কথা।
এর পাল্টা ব্যাঙ্কের আইনজীবী জানান, কেওয়াইসি আপডেট না থাকার কারণে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল এবং বিষয়টি তাদের কেন্দ্রীয় প্রসেসিং টিমের সিদ্ধান্তের অন্তর্ভুক্ত। পাশাপাশি এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ED) তদন্ত সংক্রান্ত প্রসঙ্গের উল্লেখ করা হলেও আদালতের প্রশ্ন ছিল- চিঠিতে কেন শুধু কেওয়াইসির বাহানা দিয়ে সশরীরে উপস্থিত হতে বলা হল এবং আসল কারণটি স্পষ্টভাবে জানানো হল না?
তীব্র ভর্ৎসনা করে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও বলেন, “এখন অনলাইনে কেওয়াইসি হয়। সরকারি কর্মচারীদের ক্ষেত্রেও অনলাইনে ওই পদ্ধতি হয়ে যাচ্ছে। অভিষেকের ক্ষেত্রে কেন কেওয়াইসির জন্য ডেকে পাঠানো হল? মনে হয় তাঁর মুখ দেখতে চাইছে ব্যাঙ্ক!” ব্যাঙ্কের দাবি, ব্যাঙ্কের নিজস্ব অভ্যন্তরীণ কিছু সমস্যা রয়েছে। সেই কারণে কেওয়াইসির জন্য অভিষেককে ডেকে পাঠানো হয়েছে। প্রকাশ্যে তা বলা সম্ভব নয়। বিচারপতি বলেন, “থাকতেই পারে। কিন্তু একজন গ্রাহককে না জানিয়ে কী ভাবে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিতে পারেন?“
শুনানির পরে বিচারপতি কৃষ্ণ রাও ব্যাঙ্কের আবেদন বিবেচনা করে কেওয়াইসি-র জন্য প্রয়োজনীয় নথি যেমন ছবি, ঠিকানার প্রমাণ, আধার, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, আবেদনকারীকে ব্যাঙ্কের শাখায় আসার প্রয়োজন নেই। প্রয়োজনীয় সব নথিপত্র সংগ্রহের জন্য ব্যাঙ্কের কর্মকর্তারা আবেদনকারীর বাড়িতে গিয়ে দেখা করবেন। আবেদনকারী নিশ্চিত করেছেন যে তিনি আজ তাঁর বাসভবনেই থাকবেন। আদালত ব্যাঙ্ককে নির্দেশ দিয়েছে, যেন তারা আবেদনকারীকে বাড়িতে পরিদর্শন সম্পর্কে আগে থেকে জানিয়ে দেয়।পরবর্তী পর্যালোচনার জন্য আদালত ২৪ অগাস্ট শুনানির দিন ধার্য করেছে।
















