জাতীয় নির্বাচন কমিশনে নথি-সহ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা জবাবি চিঠি পেশ করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধিরা। সোমবার নির্ধারিত সময়ের আগেই তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মহুয়া মৈত্র ও সাগরিকা ঘোষ দিল্লি নির্বাচন কমিশনে গিয়ে চিঠি ও নথি জমা দেন। তৃণমূলের সংবিধানসম্মত নথি পেশ করে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, চ্যালেঞ্জ দিচ্ছি ওদের আদালতে হারাব, জনতার আদালতেও হারাব।
তিনি আরও জানান, নির্বাচন কমিশন যে সময় নির্ধারিত করেছিল, তার মধ্যেই নোটিশের জবাব দিয়েছি আমরা। আমাদের দলের চেয়ারপার্সন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা জবাবে চিঠি পেশ করেছি কমিশনে গিয়ে। সেই সঙ্গে ১৯৯৭ সালে তৃণমূল কংগ্রেস দলগঠন এবং দলের সংবিধান প্রণয়নের নথিও কমিশনে পেশ করা হয়েছে। সংবিধান মেনেই ২০২২ সালে দলীয় নির্বাচনে
তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারপার্সন নির্বাচিত হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০২৭ সাল পর্যন্ত তাঁর মেয়াদ। দলীয় সংবিধানে রয়েছে পাঁচ বছর অন্তর নির্বাচনের রীতি। সেই মতোই ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থীদের প্রতীক দেন চেয়ারপার্সন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দেওয়া টিকিটেই বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন আপনারা সবাই। এখন সেই চেয়ারপার্সনকেই যদি অস্বীকার করেন, তাহলে আপনাদের বিধায়ক পদের বৈধতা থাকে না। অর্থাৎ আপনাদের বিধায়ক পদ খারিজ হয়ে যেতে চায়। একথাও আমরা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছি নির্বাচন কমিশনে। এরপরই কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় চ্যালেঞ্জ ছোঁড়েন, তৃণমূলের দল ও প্রতীকের দিকে হাত বাড়িয়েছেন যাঁরা, তাঁদের আদালতেও হারাব, জনতার আদালতেও হারাব। ওঁরা দলের সংবিধান জানে না। বিজেপির কথায় উঠছে আর বসছে। পিছনে রয়েছে শুভেন্দু অধিকারী। আমরা তাঁদের অভিসন্ধিমূলক পদক্ষেপেরও কড়ায়-গন্ডায় জবাব দেব।
















