'খাম' প্রতীকের দাবি নিয়ে এবার কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি। উপ নির্বাচনের লড়ার আগে নানা জটিলতায় তৃণমূলের (TMC) নাম-প্রতীক ফ্রিজ। বিকল্প নাম-প্রতীক দেওয়া হয়েছে মমতা ও ঋতব্রত শিবিরকে। আর ঋতব্রত শিবিরের প্রতীক নিয়ে সমস্যা। তারা পেয়েছে খাম। আর সেটা আবার আইএসএফ-এর প্রতীক। এই নিয়ে আগেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন আইএসএফ নেতা তথা বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি (Nawshad Siddiqi)। এবার উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হলেন তিনি। 

জোড়াফুল প্রতীক হাতছাড়া তৃণমূলের। মমতা পেয়েছেন ফুটবল খেলোয়াড়, আর ঋতব্রত বাহিনী পেয়েছে খাম। শুক্রবার, নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) ঘোষণার পরেই সরব আইএসএফ। কারণ তাঁদের নির্বাচনী প্রতীক খাম। পরিস্থিতি ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ক্ষোভ উগরে দেন। শুক্রবার দুপুরে বৈঠকে দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকের পরে আইএসএফ নেতা অভিযোগ করেন এটি পরিকল্পিত চক্রান্ত। বৃহস্পতিবার, যখন তৃণমূলের নাম-প্রতীক কমিশন ফ্রিজ করে, তখনই তার বিরোধিতা করেন নওশাদরা। কিন্তু ঋত শিবিরকে খাম প্রতীক দেওয়ায় তীব্র আক্রমণ করেন নওশাদ। তাঁর মতে, ঋতব্রতদের দলের কোনও অস্তিত্ব নেই। দলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও ছাত্র সংগঠনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনে মঞ্চে মাছি তাড়িয়েছে তারা। কোনও পরিচিতি নেই। সেই কারণে খাম প্রতীক দেওয়া হয়েছে। যাতে উপনির্বাচনে আইএসএফের প্রতীকের সঙ্গে বিভ্রাটে কিছু ভোট পায় ঋতরা। এর প্রতিবাদে কমিশনের চিঠি ও আদালতের দ্বারস্থ হওয়ারো ইঙ্গিত দেন নওশাদ।      

সেই মতো নওশাদ। নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিত অভিযোগ জানানোর পাশাপাশি তিনি এই বিষয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন আইএসএফ (ISF)। নেতা তথা বিধায়ক নওশাদ। নন্দীগ্রামে নতুন একটি দল রাতারাতি কীভাবে 'স্বীকৃত দল' হয়ে গেল এবং 'খাম' প্রতীক পেল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।