উপ নির্বাচনের আগে প্রতীক নিয়ে গোলমাল থামছে না রাজ্যে। জোড়াফুল প্রতীক হাতছাড়া তৃণমূলে। মমতা পেয়েছেন ফুটবল খেলোয়াড়, আর ঋতব্রত বাহিনী পেয়েছে খাম। আর এখানে আবার সমস্যা। কারণে, খাম প্রতীকে আগের নির্বাচন থেকে লড়ছে আইএসএফ (ISF)। শুক্রবার, নির্বাচন কমিশনের ঘোষণার পরেই সরব আইএসএফ নেতা তথা বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি (Nawshad Siddiqi)। 

তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) নাম ও জোড়াফুল প্রতীক ফ্রিজ হওয়ার পরে ঋতব্রতদের 'গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস' নাম ও খাম দেয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। আর এর পরেই প্রতিবাদ জানায় ISF। কারণ, নন্দীগ্রামে (Nadigram) তাদের প্রতীকও খাম। এখন কী হবে, ISF-প্রার্থীর প্রতীকের ভবিষ্যৎ?

এই পরিস্থিতি ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ক্ষোভ উগরে দেন। শুক্রবার দুপুরে বৈঠকে দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকের পরে আইএসএফ নেতা অভিযোগ করেন এটি পরিকল্পিত চক্রান্ত। বৃহস্পতিবার, যখন তৃণমূলের নাম-প্রতীক কমিশন প্রিজ করে, তখনই তার বিরোধিতা করেন নওশাদরা। কিন্তু এদিন ঋত শিবিরকে খাম প্রতীক দেওয়ায় তীব্র আক্রমণ করেন নওশাদ। তাঁর মতে, ঋতব্রতদের দলের কোনও অস্তিত্ব নেই। দলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও ছাত্র সংগঠনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনে মঞ্চে মাছি তাড়িয়েছে তারা। কোনও পরিচিতি নেই। সেই কারণে খাম প্রতীক দেওয়া হয়েছে। যাতে উপনির্বাচনে আইএসএফের প্রতীকের সঙ্গে বিভ্রাটে কিছু ভোট পায় ঋতরা। 

এর প্রতিবেদ কমিশনের চিঠি দিচ্ছে আইএসএফ। শনিবারই প্রার্থী প্রত্যাহারের শেষদিন। কোনও ফয়সালা না হলে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন নওশাদ।