কার্যনির্বাহী কমিটিতে জায়গা মেলেনি, তবে, মুখপাত্রের তালিকায় ফের স্থান পেলেন সায়ন্তন বসু (Sayantan Basu), কেয়া ঘোষরা (Keya Ghosh)। পুরভোটের আগে মুখপাত্রদের নতুন তালিকা ঘোষণা করল রাজ্য বিজেপি। মুখপাত্রের তালিকায় রয়েছেন সোশাল মিডিয়া সেলের দায়িত্বে থাকা সপ্তর্ষি চৌধুরীও।
২০২৬ সালে বিজেপি (BJP) বাংলায় ক্ষমতায় আসার পরে নব্য বিজেপিদের রমরমা বেশি হয়। যদিও দিলীপ ঘোষ, রীতেশ তিওয়ারিরা বিধানসভায় জায়গা পান কিন্তু সায়ন্তনদের দেখা মেলেনি। শুধু টিভি চ্যানেলে ছিল তাঁদের উপস্থিতি। সম্প্রতি প্রকাশ পেয়েছে বিজেপির কার্যনির্বাহী কমিটির তালিকাও কিন্তু সেখানেও ঠাঁই হয়নি কেয়াদের।
এই পরিস্থিতি দীর্ঘদিন পর মুখপাত্রের দায়িত্ব ফিরে পেলেন সায়ন্তন বসু, কেয়া ঘোষরা। সপ্তর্ষি চৌধুরীও (Saptashi Choudhuri) রয়েছে তালিকায়। প্রধান মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার (Debjit Sarkar)। সোশাল মিডিয়ার কনভেনর হয়েছেন উপমন্যু ভট্টাচার্য। আইটি সেলের আহ্বায়ক জয় মল্লিক।
বিজেপির রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব নিয়ে দীর্ঘদিন দলের সঙ্গে দূরত্ব বজায়রাখা দিলীপ ঘোষকে কাছে টেনে শমীক ভট্টাচার্য বুঝিয়ে দিয়েছেন, তিনি আদি নেতাদেরও যথাযথ মর্যাদা দেবেন। সোমবার বিজেপির মুখপাত্রদের তালিকা প্রকাশ হতেই ফের সেই কথাই প্রমাণ হল। যাঁরা দুর্দিনে বিজেপির পতাকা হাতে ময়দানে ছিলেন, তাঁদের জায়গা দিচ্ছে পদ্ম শিবির। কিছুদিন আগেই যাদবপুরে গেরুয়া সম্মান যাত্রায় মিছিলেও সামনের সারিতেই ছিলেন কেয়া।
পুরভোটকে (Corporation) নজরে রেখে আদি-নব্যদের নিয়েই সব কমিটি, তালিকা গড়তে চাইছে বঙ্গ বিজেপি। নতুন মুখপাত্রদের তালিকায় মুখ্য মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার। অন্যান্য মুখপাত্ররা হলেন, সায়ন্তন বসু, কেয়া ঘোষ, সপ্তর্ষি চৌধুরী, রীতেশ তিওয়ারি, প্রণয় রায়, ড. তন্ময় মুখোপাধ্যায়, ওফেলিয়া সিংহ, নিখিলপ্রসাদ সিংহ, অঙ্কন দত্ত, মেঘা সেন রায়, শমীক দাশগুপ্ত। মিডিয়া সেলের কনভেনরের দায়িত্ব অনুপম ঘোষকে দেওয়া হয়েছে। সহ-আহ্বায়ক পার্থসারথি চৌধুরী, চন্দ্রশেখর বসুটিয়া। সোশাল মিডিয়ার আহ্বায়ক উপমন্যু ভট্টাচার্য। সহ-আহ্বায়ক প্রীতম ভট্টাচার্য, ক্যামেলিয়া সান্যাল। আইটি (IT) ডিপার্টমেন্টের আহ্বায়ক জয় মল্লিক। সহ-আহ্বায়ক রত্নেশ সিং, রামজ্যোতি সরকার, শুভজিৎ কর্মকার, সব্যসাচী রায়।
















