সমস্ত ট্রোল, সমালোচনা আর সমাজের চোখরাঙানিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে সম্পর্কের ১৮ বছর পার করলেন কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায় এবং বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। দীর্ঘ এই পথচলা শেষে বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্পষ্ট বার্তা, “সমাজ আমাদের স্বীকৃতি দিল কি দিল না তাতে কিছু এসে যায় না, আমাদের প্রেম তো আজ সাবালক হল।” সম্পর্কের এই বিশেষ মুহূর্তে দাঁড়িয়ে তাঁরা শোনালেন ১৮ বছর আগের সেই ‘আনএক্সপেক্টেড’ বা অপ্রত্যাশিত প্রথম সাক্ষাতের গল্প।

আরও পড়ুন: লিপস্টিক কেনার আগে সাবধান! এই ৩ উপাদানে বাড়তে পারে ক্যানসারের ঝুঁকি

বৈশাখী জানান, তাঁদের এই দীর্ঘ সফরনামার সূত্রপাত হয়েছিল আজ থেকে ঠিক ১৮ বছর আগে এক পুজোর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে। তখন তাঁরা কেউই ভাবেননি যে এই আলাপ একদিন জীবনের সবচেয়ে বড় অবলম্বন হয়ে উঠবে। বিবাহিত শোভন চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে প্রথম দেখার সেই অভিজ্ঞতা ছিল একেবারেই ভিন্নধর্মী ও নাটকীয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই আলাপ গভীর বন্ধুত্ব এবং পরবর্তীতে এক অবিচ্ছেদ্য ভালবাসায় রূপ নেয়।

তিনি আরও বলেন, নারদা স্টিং অপারেশনের সময় আমাদের বন্ধুত্ব আরও গাঢ় হয়। আমার বিপর্যয়ের দিনেই ওঁকে আরও ভালো করে চিনতে পারি। ওই সময় ও কোনও কিছু না ভেবেই ওঁর বাড়িতে থাকতে দিয়েছিল।  

আরও পড়ুন: সেতারের সুরে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বুঁদ অরিজিৎ! ‘সুর-সাধক’ বন্ধুর প্রশংসায় পঞ্চমুখ কাজি

বাংলার রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে শোভন-বৈশাখী জুটিকে নিয়ে চর্চার শেষ নেই। আইনি জটিলতা বা সামাজিক ট্যাবু— কোনও কিছুই তাঁদের সম্পর্কে চিড় ধরাতে পারেনি। বৈশাখীর কথায়, অনেকেই তাঁদের সম্পর্ককে ক্ষণস্থায়ী ভেবেছিলেন, কিন্তু ১৮ বছর একসঙ্গে কাটানোর পর প্রমাণিত যে এই সম্পর্কের ভিত্তি কতটা মজবুত। সমস্ত প্রতিকূলতার মধ্যেও মেয়ে মহুলকে সঙ্গে নিয়ে এক ছাদের তলায় তাঁরা সুখে সংসার করছেন।

আরও পড়ুন: এক চুমুকেই বাজিমাত! এই ‘ককটেল’ পানে উদ্বেগ থাকবে দূরে, মন হবে ফুরফুরে

আইনি সিলমোহর বা সমাজ কী বলল, তার চেয়েও নিজেদের মধ্যকার পারস্পরিক বিশ্বাস এবং ভালবাসাকেই তাঁদের দীর্ঘ সম্পর্কের মূল চাবিকাঠি হিসেবে দেখছেন এই চর্চিত জুটি।