প্রতীক নিয়ে টানাপড়েন, আইনি লড়াই। তার মধ্যেই ভোটের ময়দানে নেমে পড়ল ঋতব্রত তৃণমূল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) তরফে প্রার্থীর নাম ঘোষণা হতেই চাপে পড়ে তড়িঘড়ি প্রার্থী ঘোষণা করলেন ঋতব্রত- সন্দীপনরা। নিজেদের 'আসল তৃণমূল' হিসেবে জাহির করলেও, ভোটের হাওয়া বইতেই তাদের আসল মুখোশ খুলে গেল। কার্যত তৃণমূলের ভোট কেটে বিজেপির জয়ের পথ সুগম করতেই এখন উঠেপড়ে লেগেছেন ঋতব্রতরা। সোমবার সন্ধ্যায় সাংবাদিক বৈঠক করে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল ঋত- তৃণমূল। নন্দীগ্রামে লড়ছেন মহম্মদ সামিউল হক, রেজিনগরে সফিউজ্জমান শেখ।

আরও পড়ুন: এটা সনাতনের জাগরণ: গণেশপুজোয় গিয়ে বামেদের কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

নন্দীগ্রামে মমতাপন্থী শিবিরের সঞ্চিতা প্রধান দে-র বিরুদ্ধে লড়বেন সামিউল হক। রেজিনগরে রবিউল আলম চৌধুরীর প্রতিদ্বন্দ্বী সফিউজ্জমান শেখ। কার দখলে থাকবে তৃণমূলের ভোট? কোন শিবিরের দিকে ঝুঁকবেন পুরনো ভোটাররা? উপনির্বাচনের ফলাফলের পাশাপাশি এই প্রশ্নগুলিও এখন রাজনৈতিক মহলের নজরে। এরই মধ্যে দলীয় প্রতীক নিয়ে কমিশনের দরজায় পৌঁছেছে দুই পক্ষ। তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ নিয়েও আদালতে মামলা চলছে। ফলে রাজনৈতিক লড়াইয়ের সঙ্গে আইনি লড়াইটাও সমান তালে চলছে।

আরও পড়ুন: ক্ষমতার লোভ মদের নেশার চেয়েও ভয়ঙ্কর! বিস্ফোরক মুরলী

নন্দীগ্রাম নিয়েও ছিল আলাদা জল্পনা। ঋতব্রত শিবির জানিয়েছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ে প্রার্থী হলে তারা নন্দীগ্রামে প্রার্থী দেবে না। শেষ পর্যন্ত মমতা প্রার্থী হননি। আর তার পরেই নন্দীগ্রামে নিজেদের প্রার্থী নামিয়ে দিল ঋতপন্থী তৃণমূল।