ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে কোচিং সেন্টারের (Coaching Centre) নাবালিকা ছাত্রীকে লাগাতার ধর্ষণের অভিযোগ। যৌন নির্যাতনের জেরে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে নাবালিকা। অভিযোগ দায়ের হতেই গ্রেফতার অভিযুক্ত শিক্ষক (Teacher)। ঘটনা হাওড়ার শ্যামপুরে। অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে পকসো ও ধর্ষণ-সহ একাধিক অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে শ্যামপুর থানার পুলিশ (Shyampur PS)।

রবিবার রাতে গুণধর শিক্ষককে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতের নাম নাম সনৎ চক্রবর্তী। তাঁর বাড়ি শ্যামপুর থানা এলাকায়। সেখানে একটি প্রাইভেট কোচিং সেন্টার চালান তিনি। নাবালিকা ছাত্রীটি ওই কোচিংয়ে টিউশন পড়ত। অভিযোগ, দশম শ্রেণির ওই ছাত্রীকে অতিরিক্ত ক্লাস করানোর জন্য মাঝেমধ্যেই একা কোটিং সেন্টারে আসতে বলতেন অভিযুক্ত শিক্ষক। তারপর ছাত্রীর সঙ্গে জোর করে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করতেন। বেশ কিছু দিন ধরে এইভাবে নাবালিকা ছাত্রীটিকে ওই শিক্ষক যৌন নির্যাতন করছিলেন বলে অভিযোগ। এমনকী বিষয়টি কাউকে জানালে ফল ভুগতে হবে বলে ছাত্রীটিকে হুমকিও দিতেন অভিযুক্ত। 

সম্প্রতি ওই ছাত্রীর মা মেয়ের শারীরিক পরিবর্তন লক্ষ্য করছিলেন। রবিবার মেয়েকে এই নিয়ে জিজ্ঞাসা করেন। এরপরেই মায়ের কাছে কান্নায় ভেঙে পড়ে সমস্ত কথা জানিয়ে দেয় নাবালিকা। সঙ্গে সঙ্গে তার বাড়ির লোকেরা তাকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। সেখানেই জানা য়ায় মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা। এরপরই এই ঘটনায় শ্যামপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নির্যাতিতার বাড়ির লোকেরা। তার ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে। পাশাপাশি এদিন নাবালিকা ছাত্রীর ডাক্তারি পরীক্ষা করিয়ে তার বয়ানও রেকর্ড করে পুলিশ। ধৃত অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে পকসো (PASCO) আইনের পাশাপাশি ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।