একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের পুরনো প্যানেল বাতিল করে নতুন তালিকা প্রকাশ করল স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি)। আপাতত ইন্টারভিউয়ের প্রাথমিক তালিকা সামনে আনা হয়েছে। এমনকি পুরনো তালিকার ভিত্তিতে ইতিপূর্বে যে সুপারিশপত্রগুলি দেওয়া হয়েছিল, সেগুলিও প্রত্যাহার করে নিয়েছে কমিশন। ফলে আদালতের নির্দেশ ও সংরক্ষণ নীতির কারণে এই রদবদল হলেও রাতারাতি চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন শত শত চাকরিপ্রার্থী।
কমিশনের এই সিদ্ধান্তের জেরে আগের তালিকার ভিত্তিতে যাঁরা নিয়োগের চূড়ান্ত অপেক্ষায় ছিলেন অথবা সুপারিশপত্র পাওয়ার প্রক্রিয়ায় পৌঁছে গিয়েছিলেন, নতুন বিন্যাসে তাঁদের অনেকেরই নাম পুরোপুরি বাদ পড়েছে। অনেকের আবার মেধার ক্রম অনেকটাই পিছিয়ে গিয়েছে। ফলে হাতের মুঠোয় আসা সুনিশ্চিত চাকরি হারানোর আশঙ্কায় তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়েছে চাকরিপ্রার্থীদের একাংশের মধ্যে। আন্দোলনকারী ও ক্ষুব্ধ প্রার্থীদের স্পষ্ট অভিযোগ, কমিশনের ধারাবাহিক ভুল ও প্রশাসনিক অদক্ষতার মাসুল কেন বারবার সাধারণ পরীক্ষার্থীদের গুনতে হবে? একবার তালিকা প্রকাশ করে তা পুনরায় বাতিল করার এই পদক্ষেপ আসলে মেধার চরম অবমাননা বলেই তাঁদের দাবি।
অন্য দিকে কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, আদালতের যাবতীয় আইনি নির্দেশিকা এবং আসন সংরক্ষণের নতুন বিন্যাস পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে মেনেই এই তালিকা সংশোধন করা হয়েছে। একই সঙ্গে এসএসসি আশ্বস্ত করেছে, যে প্রার্থীরা আগেই লিখিত পরীক্ষা, শিক্ষাগত যোগ্যতার মূল্যায়ন, ইন্টারভিউ এবং ক্লাস নেওয়ার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন, তাঁদের নতুন করে আর এই প্রক্রিয়াগুলির মুখোমুখি হতে হবে না। তবে সংশোধিত তালিকায় যাঁদের নাম নতুন করে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, তাঁদের পরীক্ষার দিনক্ষণ দ্রুত কমিশনের নিজস্ব ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে। আইনি জটিলতা কাটিয়ে এই প্রক্রিয়ার পরেই স্থগিত থাকা কাউন্সেলিং দ্রুত শুরু করা হবে বলে জানিয়েছে কমিশন দফতর।
















