“নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে আমরা লড়াইয়ে নেমে পড়েছি”-উপনির্বাচনের দিন ঘোষণার পরেই ময়দানে নেমে পড়ার বার্তা দিলেন বিধানসভায় সিপিএমের (CPIM) একমাত্র বিধায়ক মুস্তাফিজুর রহমান রাণা। মঙ্গলবার, সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, “নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে (Nandigram and Rejinagar) আমরা লড়াইয়ে নেমে পড়েছি। দুই একদিনের মধ্যে প্রার্থী নিয়ে জেনে যাবেন। বামেরা লড়াই দেবে। কারণ মাঝের কাউকে মানুষ বিশ্বাস করছে না।”
এবার রাজ্যে পালাবদলে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি (BJP)। তিন-চার মাসের মধ্যেই তাদের জনপ্রিয়তা তলানিতে বলে অভিযোগ বিরোধীদের। আবার প্রধান বিরোধীদল তৃণমূলের মধ্যে ভাঙন। দুই শিবিরে প্রতীক-নাম নিয়ে টানাপোড়েন। এই পরিস্থিতিতে ঘোলা জলে মাছ ধরতে নেমে পড়েছে বামেরা। দীর্ঘদিন পরে এবার বিধানসভা নির্বাচনে তাদের শূন্যের খরা কেটেছে। এবার নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচন (By-Election) ঘিরে নতুন করে আশার আলো দেখছে আলিমুদ্দিন স্ট্রিট।
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দু জায়গা থেকে প্রার্থী হন-ভবানীপুর ও নন্দীগ্রাম। জেতার পরে তিনি জানান ভবানীপুর আসন রেখে, নন্দীগ্রাম ছেড়ে দেবেন তিনি। প্রতিশ্রুতি দেন, যিনিই বিধায়ক হোন না কেন বঞ্চিত হবেন না নন্দীগ্রামের মানুষ। এদিকে তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত হুমায়ুন কবীর নতুন দল গড়ে লড়েন রেজিনগর ও নওদা থেকে নির্বাচনে প্রার্থী হন। জেতার পরে রেজিনগর আসন ছেড়ে দেন তিনি। ফলে দুটি আসনে ফের উপনির্বাচন।
মুর্শিদাবাদের ডোমকলের`বিধায়ক এদিন বলেন, নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে আমরা লড়াইয়ে নেমে পড়েছি। দুই একদিনের মধ্যে প্রার্থী নিয়ে জেনে যাবেন। বামেরা লড়াই দেবে। কারণ মাঝের কাউকে মানুষ বিশ্বাস করছে না।” তাঁর কথায়, “বিরোধী দল হিসাবে তৃণমূল কংগ্রেসকে কেউ বিশ্বাস করছে না। এলাকায় যেতে পারবে না। খালি সংবাদমাধ্যমের সামনে কথা বলে আর এখানে এসে মুখ্যমন্ত্রীর পাশে বসে ফিশফ্রাই খাচ্ছে।” একইসঙ্গে সিপিআইএম বিধায়ক জানান, “ডোমকল পুরসভায় দীর্ঘদিন ধরে ভোট হয়নি। তাই ভোট নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি।” মুস্তাফিজুর বলেন, ”ওই আসনে আমাদের দল প্রার্থী দেবে। কোনও দলের সঙ্গে জোট করে নয়, আমরা একাই লড়াই করব।”
মমতাপন্থী তৃণমূলের নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর দুই জায়গাতেই নেতা-কর্মী আছেন। সূত্রের খবর পরিচিত মুখেদের কেউ নাকি ভোটে লড়তে চাইছেন না। আবার নব্য তৃণমূলে নন্দীগ্রাম কেন্দ্রিক নেতা-কর্মীর খোঁজ নেই সেই অর্থে। রেজিনগরে অবশ্য দুই শিবিরের নেতা-কর্মীই আছেন। তবে প্রতীক নিয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হওয়ার আগে তৃণমূলের কোনও শিবিরই উপনির্বাচন নিয়ে বিশদ জানাতে চাইছে না। আর এই সংশয়ের মধ্যেই রেজিনগর, নন্দীগ্রামে জোরা
















