একুশে জুলাই মানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বার্তা, তৃণমূল কংগ্রেস মানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ - মঙ্গলবার কলকাতার ক্যাথিড্রাল রোডের যে ছবি ধরা পড়েছে তা থেকে ফের একবার স্পষ্ট যে বিজেপির বি-টিম যতই তৃণমূল ভাঙ্গার চেষ্টা করুক না কেন, মমতার পাশে আছেন সাধারণ মানুষ। তাই তৃণমূল সুপ্রিমোর সমাবেশে যখন উপচে পড়ছে ভিড় তখন দিল্লির রাজঘাটে কোনওমতে শহিদ দিবস পালন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় (Sudip Bandopadhyay)- কাকলি ঘোষ দস্তিদারদের (Kakali Ghosh Dastidar)।
NCPI কে? তাদের সঙ্গে শহিদ দিবসের সম্পর্ক কোথায়? প্রশ্ন তৃণমূলের কর্মী সমর্থকদের। ১৯৯৩ সালের রক্তাক্ত স্মৃতির সরণি বেয়ে আজও গণতন্ত্র বাঁচিয়ে রাখার বার্তা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর তথা সুপ্রিমোর মুখে। আর উল্টোদিকে তৃণমূলের নাম - প্রতীক ব্যবহার করে ভোটে জিতে নিজেদের পিঠ বাঁচাতে, ইডি সিবিআই-র হাত থেকে বাঁচতে তৃণমূল ছেড়ে NCPI নামক এক নাম না জানা দলে যোগ দিয়েছেন জোড়াফুলের কুড়ি জন সাংসদ। আসল লক্ষ্য, NDA-র ছাতার তলায় থেকে বিজেপিকে সমর্থন করা, যাতে গদি টিকিয়ে রাখা যায়। যাঁরা মানুষের সঙ্গে বেইমানি করেছেন মানুষ তাঁদের পাশে নেই। তাইতো কর্মী- সমর্থক ছাড়াই দিল্লির রাজঘাটে মঞ্চ বেঁধে কোনওমতে শহিদ দিবস পালন করতে দেখা গেল 'গদ্দার'দের। সাংসদদের এই কর্মসূচি ঘিরে কড়া নিরাপত্তা ছিল সকাল থেকে। উপস্থিত ছিল দিল্লি পুলিশের (Delhi Police) বাহিনী। বেলার দিকে দেখা গেল সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষদস্তিদার, শতাব্দী রায়, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, ইউসুফ পাঠান-সহ কয়েকজন গিয়ে শহিদ বেদীতে মালা দিয়ে ফুল নিবেদন করেন। বারাসতের সাংসদের মুখে এই দিনটির প্রসঙ্গে হাতেগোনা কয়েকটা শব্দ শোনা গেছে। বাকিরা বিশেষ কিছু বলতে চাননি। আসলে রাজধানীতে যে এনসিপিআইয়ের কর্মসূচি সুপার ফ্লপ তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
















