১৯৮৮ সালে সম্পত্তি জনিত বিবাদের জেরে ভাইকে খুন করেছিলেন মালদহের বাসিন্দা রসিকচন্দ্র মণ্ডল (Rashik Chandra Mondal)। ১৯৯৪ সালে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত আদালত। ৭৪ বছর বয়সে যাবজ্জীবনের সাজা ভোগ করতে শুরু করেন তিনি। দীর্ঘ সময় ফেলে থাকার ২০১৮ সালে হাইকোর্ট তাঁর আবেদন খারিজ করলে তিনি সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ হন। ২০২০ সালে বার্ধক্য ও বয়সজনিত শারীরিক সমস্যার কথা উল্লেখ করে তিনি আগাম মুক্তির আবেদন করেছিলেন। অবশেষে ১০৫ বছর বয়সে এসে মিললে মুক্তির স্বাদ।
২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে শীর্ষ আদালত রসিককে প্যারোলে মুক্তির নির্দেশ দেয়। শুক্রবার প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ মামলাটি চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করে। শুক্রিবার জন্য জানিয়েছে রসিকচন্দ্রের বয়সের কথা বিবেচনা করে তাকে যাবজ্জীবন সাজার বাকিটুকু ভোগ করতে হবে না। ফলে প্রায় চার দশক ধরে চলাই মামলায় শেষ পর্যন্ত জেল মুক্তি হল শতায়ু সাজাপ্রাপ্ত আসামীর। শুনানি চলাকালীন রশিদ চন্দ্রের বয়স নিয়েও বিষয় প্রকাশ করেন তিন বিচারপতি।
















