হাওড়া ব্রিজের নীচে অবস্থিত এশিয়ার বৃহত্তম ফুলবাজার। এবার মল্লিকঘাট ফুলবাজারকে ঢেলে সাজানোর ঐতিহাসিক উদ্যোগ নিল রাজ্য সরকার। এই বাজারকে একটি আন্তর্জাতিক মানের বাণিজ্যকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে পরিকাঠামোর আধুনিকীকরণ, উন্নত বিপণন ব্যবস্থা চালু এবং বিশ্ব বাজারে পশ্চিমবঙ্গের ফুলচাষ শিল্পের অবস্থান আরও মজবুত করতে রূপরেখা তৈরি করেছে রাজ্যের খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও উদ্যানপালন দফতর।
আরও পড়ুন: থেঁতলানো মাথা-গোপনাঙ্গে রড! বিজেপিশাসিত অসমে নাবালিকার নৃশংস পরিণতি
সম্প্রতি এই পরিকল্পনা রূপায়ণের লক্ষ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও উদ্যানপালনমন্ত্রী ডা. কল্যাণ চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে এই বৈঠকে বাজারের সার্বিক উন্নয়ন, ফুল সংরক্ষণের অত্যাধুনিক ব্যবস্থা, রপ্তানিমুখী উৎপাদন বৃদ্ধি এবং রাজ্যের ফুলচাষিদের আয় বহুগুণ বাড়ানোর বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রী ডা. কল্যাণ চক্রবর্তী জানান, বিগত কয়েক বছরে পশ্চিমবঙ্গে দেশি ফুলের পাশাপাশি বিভিন্ন বিদেশি প্রজাতির ফুলের চাষও উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলার কৃষকরা গতানুগতিক ধান বা অন্যান্য ফসলের বদলে বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক ফুল চাষের দিকে ঝুঁকছেন। চাষিদের এই ইতিবাচক প্রবণতাকে আরও বেশি উৎসাহ দিতে এবার রপ্তানিযোগ্য ফুলের চাষে বিশেষ জোর দেবে রাজ্য সরকার।
আরও পড়ুন: পৈতৃক সম্পত্তি আড়াই বছরের নাতির নামে! নৃশংসকাণ্ড রাগে অন্ধ বাবার
মন্ত্রীর মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদাসম্পন্ন উন্নত মানের ফুলের উৎপাদন বাড়ানো গেলে একদিকে যেমন বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব হবে, তেমনই এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত প্রান্তিক চাষিদের অর্থনৈতিক অবস্থাও অনেক বেশি সুদৃঢ় হবে। এই লক্ষ্যেই ফুল উৎপাদন থেকে শুরু করে চূড়ান্ত বিপণন পর্যন্ত গোটা পরিকাঠামোকে ঢেলে সাজানোর মাস্টারপ্ল্যান নেওয়া হয়েছে।
















