বঙ্গোপসাগরে (Bay of Bengal) গভীর নিম্নচাপ। ঝোড়ো হাওয়া ও দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার আশঙ্কায় আগামী ২২ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ উপকূল এবং সংলগ্ন সমুদ্র এলাকায় মৎস্যজীবীদের (Fishermen) সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি প্রশাসনের। সমুদ্রে থাকা মৎস্যজীবীদেরও ২১ সেপ্টেম্বর রাতের মধ্যে নিরাপদে উপকূলে ফিরে আসার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। আবহাওয়া দফতরের (Weather Department) পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২১ সেপ্টেম্বর পূর্ব-মধ্য ও উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৫৫ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। দমকা হাওয়ার গতি ঘণ্টায় ৬৫ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। পরদিন, অর্থাৎ ২২ সেপ্টেম্বর মধ্য বঙ্গোপসাগরে হাওয়ার গতি আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইতে পারে, দমকার গতিবেগ হতে পারে ৭০ কিলোমিটার।

আরও পড়ুন: বন্দে মাতরম: ২ স্তবকেই থামল কংগ্রেস! কর্নাটক বিধানসভায় বিতর্ক

২৩ সেপ্টেম্বর পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ওই দিন মধ্য বঙ্গোপসাগরে ঘণ্টায় ৫৫ থেকে ৬৫ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। দমকা হাওয়ার গতিবেগ ৭৫ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। এই পরিস্থিতিতে সমুদ্র উত্তাল হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ উপকূলেও ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে বলে সতর্ক করেছে হাওয়া অফিস। ফলে সমুদ্রে যাওয়ার ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।


শুধু সমুদ্র নয়, দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়াতেও আগামী কয়েক দিন দুর্যোগের সম্ভাবনা রয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২২ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার দাপট বেশি থাকার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে আগামী কয়েক দিন দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতেও আবহাওয়ার পরিস্থিতির উপর নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সমুদ্রে মৎস্যজীবীদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই ২২ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।