রাজ্য প্রশাসনের সদর দফতর নবান্নের (Nabanna) অদূরেই এক যুবকের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য। শরৎ চ্যাটার্জি রোডে দুই বহুতলের মাঝের রাস্তা থেকে উদ্ধার হয় দেহ। মৃত্যুর কারণ নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। রবিবার সকাল ১১টা নাগাদ ঘটনাটি নজরে আসে স্থানীয় বাসিন্দাদের। তাঁরাই রাস্তায় এক যুবককে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় চ্যাটার্জিহাট (Chatterjeehat Police Station) থানার পুলিশ।
আরও পড়ুন: ৪৮ ঘণ্টার ডেডলাইনেও অনড় বিকাশরঞ্জন! ‘হিন্দুত্ববাদী’ শব্দ প্রত্যাহারে নারাজ
পুলিশ সূত্রে খবর, মৃত যুবকের নাম অঞ্জন চক্রবর্তী, এলাকায় যিনি ‘ছোটকা’ নামে পরিচিত ছিলেন। বয়স ৩৫ বছর। তিনি ওই এলাকারই বাসিন্দা এবং পেশায় ইলেক্ট্রিশিয়ান ছিলেন। নবান্ন থেকে মাত্র ১৫০ মিটার দূরে এই দেহ উদ্ধারের ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। দেহ উদ্ধারের সময় অঞ্জনের মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়। তাঁর মাথা থেকে রক্তপাত হচ্ছিল। ঘটনাস্থলের কাছে বেশ কিছু পেরেক পড়ে থাকতে দেখা যায়। ওই পেরেকের কারণে মাথায় আঘাত লেগেছিল কিনা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
আরও পড়ুন: কৃষ্ণনগর রাজবাড়ির দুর্গাপুজোয় বিষাদের সুর! বিজয়া দশমীতে বন্ধ হল ঐতিহ্যবাহী সিঁদুর খেলা
স্থানীয় সূত্রে খবর, অঞ্জনের নিয়মিত নেশা করার অভ্যাস ছিল। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, নেশাগ্রস্ত অবস্থায় পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাত পাওয়ার জেরেই তাঁর মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে এই সম্ভাবনাই চূড়ান্ত, এমনটা এখনই বলা যাচ্ছে না। অঞ্জনের মৃত্যু দুর্ঘটনাজনিত, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়েছে। দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।















