... " Oh ! Left me as a wave, a leaf , a cloud !
I fall upon the thorns
of life ! I bleed ! "
( Ode to the west wind , Percy bysshe Shelley )
কবির ব্যক্তিজীবন জানাটা কি খুব জরুরি ?
এ নিয়ে বহুকাল ধরে অজস্র বিতর্ক। নানা মুনির নানা মত। তবে কবি শেলি যখন লেখেন কণ্টকাকীর্ণ জীবনে তিনি রক্তাক্ত, বিক্ষত, তখন কবির যাপন নিয়ে আগ্রহ তো জাগেই। ওই যে আমাদের কবি নীললোহিত লিখে গেছেন, " তিন আঙুলের একটা জীবন, সাতশো মাইল অন্ধকার, সাতশো মাইল অন্ধকারে একটা জীবন, একটা বিন্দু, তিরিশটা হ্রদ ভরা বিষাদ ... " ।
তাহলে আগুনের ফুলকির মতো মাত্র ৩০ আয়ুর একটা জীবন, যা বিশ্বসাহিত্যে আকস্মিক উল্কাবৃষ্টি ঘটিয়ে উল্কার বেগে উধাও হয়ে গেছে , তা জানবো না কেন ?
মৃত্যুর মুহূর্তে শেলির ( ১৭৯২ --- ১৮২২ ) পকেটে কেন কীটস্ , অন্য কেউ নন কেন , এসব জানতে ইচ্ছে করে না বুঝি মরমী পাঠকের ? " মৃত্যুর আগের দিন পড়ন্ত রোদের দিকে তাকিয়ে কী ভেবেছিল সুকান্ত ? "
কবি অরুণ মিত্র তাঁর এক কবিতায় রেখে গেছেন এই মর্মস্পর্শী প্রশ্ন। এরপরেও কিন্তু কবিকে জেনে কী লাভ, কবিকে জানার জন্য কবির কবিতাই কি যথেষ্ট নয়, ইত্যাদি বিতর্ক থামে না !
মাত্র ৩০ বছরের তুমুল জীবনে শেলির কাছে এসেছে একাধিক হ্যারিয়েট। দুজনের একজন হলেন হ্যারিয়েট ওয়েস্টব্রুক। অন্যজন হ্যারিয়েট গ্রোভ। এঁদেরই একজন কবির একেবারে শুরুর দিকের কবিতা লেখার উষ্ণ প্রেরণার উৎস, অর্থাৎ এক বালিকার ঘনিষ্ঠ সান্নিধ্য নব্য কবির হৃদয় ঝাঁকিয়ে বের করে এনেছে অসামান্য সব পংক্তি।
এসব জানার দরকার নেই ? এছাড়াও কবি জড়িয়ে পড়েন আরো এক মহিলার সঙ্গে প্রবল প্রণয়ে। তাঁর নাম মেরি গডউইন।
" Poets are the
unacknowledged
legislators of the world. "
( A Defense of Poetry )
কবির প্রিয় ছোট্ট পালতোলা নৌকা ' ডন জুয়ান ' ( Don Juan ) একদিন ডুবে গেলো ইতালির স্পেজিয়া উপসাগরে ভয়ঙ্কর এক সামুদ্রিক ঝড়ে । মারা গেলেন কবি। বড়ো অকালে চলে গেলেন। কবির সহযাত্রীরাও মারা গেলেন সকলে। সেদিন ১৮২২ সালের ৮ জুলাই ।
দুর্ঘটনার প্রায় ১০ দিন পর সমুদ্র সৈকত থেকে উদ্ধার করা হয় কবির মরদেহ। তারপর ইতালির ভিয়ারেজ্জো সৈকতে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।
" বেলা বয়ে যায়,
















